বরগুনা সদর উপজেলার সাহেবের হাওলা রফেজিয়া দাখিল মাদ্রাসার শরীর চর্চা শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার বিকেল ৩টার দিকে ওই শিক্ষার্থীর স্বজন ও স্থানীয়রা গুরুতর অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
অভিযুক্ত সাইফুলের বাবা মাওলানা মো. ইব্রাহীম খলিল সদর উপজেলার ৪নং কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং একই মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।
নির্যাতিত ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধারকারী সমাজকর্মী আরিফুর রহমান মারুফ মৃধা বলেন, দুপুরে গাইড দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসায় ডেকে নেয় সাইফুল। মাদ্রাসার খুব কাছে সাইফুলদের বাড়ি। পরে সাইফুল ওই শিক্ষার্থীকে ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক পাশবিক নির্যাতন করেন।
তিনি জানান, সাইফুলের পাশবিক নির্যাতন এই শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে রেখে পালিয়ে যান সাইফুল। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে মেয়ের বাবা ও আমি কিশোরীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করি।
এ বিষয়ে বরগুনা সদর জেনারেল হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সাকিল তানভীর বলেন, মেয়েটিকে আমরা প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছি। প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যে আলামত পাওয়া গেছে তাতে মনে হয় মেয়েটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন বলেন, ঘটনাটি শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমি হাসপাতালে যাই এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকের চেষ্টা পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। মেয়েটির চিকিৎসা ও মানসিকভাবে তার পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।
