জিম্বাবুয়েতে গণবিক্ষোভে দমনে সেনারা ‘কাঠামোগত নির্যাতন’ করছে বলে অভিযোগ করেছে রাষ্ট্রীয় মানবাধিকার সংস্থা। জিম্বাবুয়ে হিউম্যান রাইটস কমিশন বিক্ষোভ দমাতে সেনা ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেছে।
জ্বালানির দাম ব্যাপক হারে বেড়ে যাওয়ায় এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে বিক্ষোভ চলছে। এতে সেনাদের ব্যবহার নিয়ে সরকারের এক মুখপাত্র বিবিসিকে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে একটু কঠোর হওয়া দরকার।’
জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারের বিভিন্ন প্রান্তে সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগের খবর পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর সদস্যদের বেশ কিছু মিনি বাসচালককে পেটাতে দেখা যায়।
সেনাদের পিটুনির শিকার একজনের সঙ্গে কথা বলেছে বিবিসির সাংবাদিক অ্যান্ড্রু হার্ডিং। ওই ব্যক্তি অ্যান্ড্রুকে জানিয়েছেন, তিনিসহ প্রায় ৩০ জনকে ধরে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পিটিয়েছে সেনারা। অ্যান্ড্রু আরও জানান, জিম্বাবুয়েতে অব্যাহত সহিংসতায় সেনাদের ওপর প্রেসিডেন্ট ইমারসন মানান গাগাওয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বাহিনীর সদস্যরাই ১৪ মাস আগে তাকে ক্ষমতায় আনতে সহায়তা করেছিল।
প্রেসিডেন্ট মানান গাওয়া বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে নির্যাতন বরদাশত করা হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন। যদিও তার এ আশ্বাস কাজে আসছে না বলেই মনে হচ্ছে মানবাধিকার কমিশনের বিবৃতিতে। মানবাধিকার সংস্থাটি এক বিবৃতিতে বলেছে, গত সপ্তাহ থেকে কমপক্ষে আটজনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর বেশির ভাগই হয়েছে প্রকাশ্য গুলিতে। এতে বলা হয়, ‘জিম্বাবুয়ে ন্যাশনাল আর্মি ও জিম্বাবুয়ে রিপাবলিক পুলিশের অস্ত্রধারী ও পোশাক পরা সদস্যরা কাঠামোগত নির্যাতন চালিয়েছেন।’
