গত মৌসুমে ফুটবল ক্লাবগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। ‘অর্থের লিগে’ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে ক্লাবটি পেছনে ফেলেছে চির প্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনা ও ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সফল ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে।
শীর্ষ পর্যায়ের অ্যাকাউন্টিং প্রতিষ্ঠান ডেলোয়েটের এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম ক্লাব হিসেবে ৭৫ কোটি ইউরো আয়ের মাইলফলক টপকে গেছে রিয়াল।
২০১৭-১৮ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ক্লাব বিশ্বকাপ জেতা রিয়ালের আয় হয়েছে ৭৫ কোটি ৯ লাখ ইউরো। এই নিয়ে সর্বোচ্চ দ্বাদশবার আয়ের তালিকায় শীর্ষস্থান অর্জন করল সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ের ক্লাবটি।
২০১৬-১৭ মৌসুমে শীর্ষে থাকা ইউনাইটেড এবার নেমে গেছে তিন নম্বরে। গত মৌসুমে রেড ডেভিলদের আয় হয়েছে ৬৬ কোটি ৬০ লাখ ইউরো।
তৃতীয়স্থান থেকে দ্বিতীয়স্থানে ওঠে এসেছে বার্সেলোনা। গত মৌসুমে লা লিগা ও কোপা দেল রে জয়ী কাতালান ক্লাবটির আয় ৬৯ কোটি ৪ লাখ ইউরো।
চতুর্থস্থান ধরে রেখেছে বুন্ডেসলিগা চ্যাম্পিয়ন বায়ার্ন মিউনিখ। গত মৌসুমে ক্লাবটির আয় ৬২ কোটি ৯২ লাখ ইউরো।
৫৬ কোটি ৮৪ লাখ ইউরো নিয়ে পঞ্চমস্থানে আছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি।
একধাপ উন্নতি নিয়ে ষষ্ঠস্থানে ওঠে এসেছে লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। গত মৌসুমে ফরাসি ক্লাবটির আয় ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ইউরো।
আয়ের তালিকায় শীর্ষ দশে থাকা ছয় ক্লাবই ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের। লিভারপুল, চেলসি, আর্সেনাল ও টটেনহ্যাম হটস্পার আছে যথাক্রমে সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশমস্থানে।
৩৯ কোচি ৪৯ লাখ ইউরো নিয়ে একাদশস্থানে আছে সেরি আয় চ্যাম্পিয়ন ইউভেন্তুস। ৩০ কোটি ৪৪ লাখ ইউরো নিয়ে ত্রয়োদশস্থানে আতলেতিকো মাদ্রিদ।
ডেলোয়েট ফুটবল মানি লিগের শীর্ষ ১০ ক্লাব:
০১. রিয়াল মাদ্রিদ: ৭৫ কোটি ৯ লাখ ইউরো
০২. বার্সেলোনা: ৬৯ কোটি ৪ লাখ ইউরো
০৩. ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড: ৬৬ কোটি ৬০ লাখ ইউরো
০৪. বায়ার্ন মিউনিখ: ৬২ কোটি ৯২ লাখ ইউরো
০৫. ম্যানচেস্টার সিটি: ৫৬ কোটি ৮৪ লাখ ইউরো
০৬. পিএসজি: ৫৪ কোটি ১৭ লাখ ইউরো
০৭. লিভারপুল: ৫১ কোটি ৩৭ লাখ ইউরো
০৮. চেলসি: ৫০ কোটি ৫৭ লাখ ইউরো
০৯. আর্সেনাল: ৪৩ কোটি ৯২ লাখ ইউরো
১০. টটেনহ্যাম হটস্পার: ৪২ কোটি ৮৩ লাখ ইউরো
