ঢাকা উত্তর সিটি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককে স্মরণ করলেন মেয়র পদপ্রার্থী আতিকুল ইসলাম।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আতিকুল মঙ্গলবার বিকেলে উত্তর সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তারা কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পরে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রয়াত মেয়রের কথা স্মরণ করে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আনিস ভাই ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে (ডিএনসিসি) যে পর্যায়ে নিয়ে গেছেন, নির্বাচিত হলে চেষ্টা করব সেটা ধরে রাখবার। চেষ্টা করব তার চেয়ে উপরে যাওয়ার। তার থেকে নিচে গেলে জনগণ প্রত্যাখ্যান করবে।’
আওয়ামী লীগের মতো দল থেকে মনোনয়ন পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার উল্লেখ করে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি মনোনয়ন পেয়েছি। আইন মেনে চলব।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, সকল রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী, জনগণ সকলকে নিয়ে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে চাই। আমি বিজিএমইএ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই নির্বাচিত হয়েছি। তাই আমি চাই প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। নির্বাচনে জনগণ যাকে ভোট দেবে, তাকেই মেনে নেব। যদি নির্বাচিত হই, যেদিন দায়িত্ব নেব, সেদিন থেকেই সততা, স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করব।
এ ছাড়াও ঢাকাবাসীর জন্য চালু করা হবে নগর অ্যাপস চালুর কথা উল্লেখ করেন।
আতিকুল ইসলামের মনোনয়ন পত্রে প্রস্তাবক হয়েছেন- সাবেক প্রধান বিচারপতি মো. তাফাজ্জল ইসলাম, সংসদ সদস্য একেএম রহমাতুল্লাহ, জাতীয় অধ্যাপক ড.আনিসুজ্জামান, সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন ও এসবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট। আর সমর্থক হয়েছেন যথাক্রমে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক, চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর, দৈনিক জাগরণের সম্পাদক আবেদ খান, আতিকুল ইসলামের সহধর্মিণী ড. শায়লা শগুফতা ইসলাম ও প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকে ছেলে নাভিদুল হক।
ইসি ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ডিএনসিসির ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ৩০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম বলেন, এ পর্যন্ত ২৫ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আর জমা দিয়েছে কেবল আতিকুল ইসলাম। অন্যদিকে উত্তর সিটির নতুন ১৮ টি ওয়ার্ডের নির্বাচনে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩০টি কাউন্সিলর পদে ১৯৭জন মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন। এদের মধ্যে ১২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
