শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৬ বৈশাখ ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

অনুমতি ছাড়া কেন্দ্র সরকারের হস্তক্ষেপ

মমতার ধরনা পাশে বিরোধীরা

আপডেট : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:৫৫ এএম

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি গতকাল সোমবারেও ধরনা চালিয়ে গেছেন। গত রবিবার সন্ধ্যা থেকে তিনি অনির্দিষ্টকালের জন্য ধরনায় বসেন। গত রবিবার বিকেলে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিবিআই) কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকারের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।

সারদা দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের বাসায় যান সিবিআই কর্মকর্তারা। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়েই ধরনায় বসেন মমতা। যথাযথ নথি ছাড়া পুলিশ কমিশনারের বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালানোর চেষ্টা, রাজ্য প্রশাসনের কাজে অযথা হস্তক্ষেপ করার মতো গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে।

মমতা অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ কমিশনারের মতো পদাধিকারিকের বাড়িতে বিনা ওয়ারেন্টে সিক্রেট অপারেশনে এসেছিল সিবিআই। ওদের সঙ্গে কোনো কাগজ ছিল না। দেশের সংবিধান আজ বিপন্ন। এরপরই কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসে পড়েন মমতা। তিনি   জানিয়ে দেন, যতক্ষণ না পরিস্থিতির বদল ঘটে, ততক্ষণ ধরনা চলবে।

কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দাপ্রধান প্রবীণ ত্রিপাঠী দাবি করেন, ‘তারা নিজেদের সিবিআই অফিসার বলে পরিচয় দিলেও সমন বা নির্দেশিকা দেখাতে পারেননি। বলেন, গোপন অভিযানে এসেছেন। তাই এই গোলমাল।’

গান্ধীজির সত্যাগ্রহ আন্দোলনের সঙ্গে একে তুলনা করে তিনি সেভ ইন্ডিয়া মুভমেন্ট বা দেশ বাঁচাও আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ধরনার কথা দ্রুত ছড়িয়ে পড়তেই কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট রাহুল গান্ধী, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইড়–, ন্যাশনাল কনফারেন্সের নেতা ওমর আবদুল্লাহ, আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদব এবং ডিএমকে নেতা এম কে স্তালিন মমতার প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

গতকাল সোমবার বিভিন্ন রাজ্যের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী, তৃণমূলের শীর্ষ নেতাদের মমতার সঙ্গে দেখা গেছে। ধরনার মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে ছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক মহুয়া মৈত্র।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত