মুক্তিযোদ্ধা-রহমতগঞ্জের জমাট লড়াই শেষ ড্রয়ে

আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ১১:৫৬ পিএম

দুই গোলে এগিয়ে থেকেও জিততে পারল না মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। গতকাল বঙ্গবন্ধ স্টেডিয়ামে মাত্র ২০ মিনিটেই আইভরিয়ান ফরোয়ার্ড বালো ফামোসার দুই গোলে এগিয়ে যায় দলটি। কিন্তু পরের মিনিটে জাপানিজ মিডফিল্ডার ইউসুকে কাতোর লাল কার্ড দেখা বড় সর্বনাশ ডেকে আনে মুক্তিযোদ্ধার। সুযোগে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে দুই গোল করে গুরুত্বপূর্ণ ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে রহমতগঞ্জ। ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়।

মাঝারিমানের দুটি দলের লড়াইটা ছিল দুর্দান্ত। দু’দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ম্যাচটাকে শুরু থেকেই উপভোগ্য করে তোলে। ১৪ মিনিটে এগিয়ে যায় মুক্তিযোদ্ধা। রাকিব খান ইভানের ছোট্ট পাসে মার্কারদের পেছনে ফেলে ডান পায়ের প্লেসিংয়ে রহমতগঞ্জ কিপারকে পরাস্ত করেন আইভরিয়ান ফরোয়ার্ড বালো ফামোসা। ৬ মিনিট পর আরেকটি নিখুঁত প্লেসিংয়ে মুক্তিযোদ্ধাকে ফের আনন্দে ভাসান এখন পর্যন্ত লিগে সর্বোচ্চ সাত গোল করা ফামোসা। এবার ইউসুকে কাতোর ভাসানো বল অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে লক্ষ্যভেদ করেন এই আইভরিয়ান। এক মিনিট পর মুক্তিযোদ্ধা পরিণত হয় ১০ জনের দলে। একটা বাজে ট্যাকলকে কেন্দ্র করে মেজাজ হারিয়ে মুক্তিযোদ্ধার জাপানি মিডফিল্ডার কাতো মাথা দিয়ে আঘাত করেন রাকিবুল ইসলামকে। রেফারি সহকারী রেফারির কাছ থেকে জেনে তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান। দ্বিতীয়ার্ধে দুটি গোলই পরিশোধ করে গুরুত্বপূর্ণ ১ পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারে রহমতগঞ্জ। ৫২ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করে ব্যবধান কমান রহমতগঞ্জের তরুণ ফরোয়ার্ড সোহেল রানা। ৪ মিনিট পর সোহেল রানারই আরেকটি প্রচেষ্টার সফল সমাপ্তি করেন চৌম্রিন রাখাইন। এই ড্রয়ে ছয় ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে মুক্তিযোদ্ধা আছে অষ্টম স্থানে। আর রহমতগঞ্জ এক ম্যাচ বেশি খেলে তাদের ঠিক পেছনেই ৪ পয়েন্ট নিয়ে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত