বন্যায় ভেঙে যাওয়ার ৩১ বছর পরও পুনর্নির্মাণ করা হয়নি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার বালুচর-নয়াপড়া সেতু। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ২৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ পারাপারে এই সেতু ব্যবহার করত। ভেঙে যাওয়ার তিন দশক পরেও সেতুটি পুনর্নির্মিত না হওয়ায় এলাকার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়নের বালুচর-নয়াপাড়া গ্রামের সংযোগস্থলে ৩৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটি ১৯৮৮ সালের বন্যায় ভেঙে যায়।
হরগজ ইউনিয়ন সবজি উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এই ভাঙা সেতুর বিকল্প হিসেবে বাইপাস সড়ক ঘুরে এলাকার মানুষকে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলেই এ রাস্তায় হেঁটে চলা দায়। এই সড়ক দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল ও রিকশাভ্যান চলাচল করতে পারে। বর্ষা মৌসুমে খেয়ায় পারাপারই একমাত্র ভরসা। অথচ বালুচর-নয়াপড়া ঘাটের সেতুটি পুনর্নির্মাণ করে যান চলাচলের উপযোগী করা হলে মানুষের দুর্ভোগ কমবে।
সেতুটি পুনর্নির্মাণ করা হলে ইউনিয়নের নয়াপাড়া, হাজীপাড়া, মৃধাপাড়া, মোল্লাপাড়া, পাটনিবাধা, চরপাড়া, শীলপাড়া, ফুকুরহাটি ইউনিয়নের কান্দাপাড়া, রাইল্লা, জান্না, তিল্লি ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামসহ ২৫টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ উপকৃত হবে। বালুচর-নয়াপড়া ঘাটের পাশে জেলার হরগজ গরুর হাট, বাজার, হরগজ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কৃষি ব্যাংক, হরগজ শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয়, হরগজ মালেকিয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসা, উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস রয়েছে। সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী আইয়ুব আলী বলেন, দুই পাশে পাকা সড়ক থাকলেও ভাঙা সেতুর কারণে মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। খুব দ্রুত সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
