মাঝে কিছুদিন হারিয়েই গিয়েছিলেন আলাউদ্দিন বাবু। লড়ছিলেন ইনজুরির সঙ্গে। বিপিএলে একটি মাত্র ম্যাচেই সুযোগ পেয়েছিলেন রাজশাহী কিংসের এই ক্রিকেটার। তবে প্রিমিয়ার টি-টোয়েন্টিতে নজর কাড়লেন সবার। অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জেতালেন মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে।
বুধবার ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জকে ৩০ রানে হারায় মোহামেডান। ব্যাট হাতে ২৩ বলে ৩০ রান করার পর বল হাতে ১ উইকেট নেন আলাউদ্দিন বাবু।
ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ১৪৩ রান করে মোহামেডান। জবাবে ৮ উইকেটে ১১৩ রানে থামে রূপগঞ্জের ইনিংস।
তবে এই জয়ে কোনো লাভ হয়নি মোহামেডানের। কেননা মোহামেডান ও রূপগঞ্জকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপ থেকে আগেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে রেখেছিল শাইনপুকুর ক্রিকেট ক্লাব।
মোহামেডানের শুরুটা এদিন ভালো ছিল না। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে হারিয়েছে উইকেট। মাত্র ২২ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় দলটি। আব্দুল মজিদ ৪, মোহাম্মদ আশরাফুল ০ ও ইরফান শুক্কুর ১ রান করে বিদায় নেন। ওপেনার অভিষেক মিত্র ভালো খেলতে খেলতেও বিদায় নেন ২২ রান করে। তাতে ৩০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে মোহামেডান।
এর মাঝে উইকেটে দাঁড়িয়ে যান নাদিফ চৌধুরী। যিনি শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে যান ৪১ রানে। ৩৪ বলের ইনিংসে ২টি চার ও ১ ছক্কা হাঁকান তিনি। ছয়ে নেমে সোহাগ গাজী ২১ ও আট নম্বরে নেমে আলাউদ্দিন বাবু করেন ৩০ রান।
রূপগঞ্জের পক্ষে সর্বাধিক ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ শহীদ। ২ উইকেট পেয়েছেন মিজানুর রহমান।
জবাব দিতে নেমে আজমির আহমেদ ও মোহাম্মদ নাঈমের ব্যাটে ভালো শুরুর আভাস ছিল রূপগঞ্জের। তবে শাহাদাত হোসেন, নিহাদুজ্জামান, সাকলায়েন সজীবরা জ্বলে উঠলেন। উভয়েই নিলেন দুটি উইকেট। ১টি করে উইকেট পেলেন সোহাগ গাজী ও আলাউদ্দিন বাবু। তাতে রূপগঞ্জ আর জয়ের পথে হাটতে পারেনি।
রূপগঞ্জের পক্ষে সর্বাধিক ২৮ রান এসেছে অধিনায়ক নাঈম ইসলামের ব্যাট থেকে। ১৮ রান করেন ওপেনার আজমির আহমেদ। ম্যাচ সেরা হয়েছেন আলাউদ্দিন বাবু।
