শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ১ আষাঢ় ১৪৩১
দেশ রূপান্তর

নিরাপত্তায় দায়সারা পুলিশ

আপডেট : ০২ মার্চ ২০১৯, ০৩:৫৮ এএম

ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে বইমেলায় টিএসসি থেকে দোয়েল চত্বর পর্যন্ত বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তাটি বন্ধ থাকলেও গতকাল শুক্রবার ছিল অবাধ যানবাহন চলাচল। বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় মেলার প্রবেশ গেটের সামনে। রিকশা ও সিএনজির কারণে তৈরি হয় যানজট। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ মুড়ি, চানাচুরের দোকানও বসে। তবে মেলায় ছিল উপচেপড়া ভিড়। নোয়াখালী থেকে মেলায় আসা রাসেল আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মেলার আয়োজন যদি ঠিকভাবে করা না যায়, তবে এই দুই দিন বাড়ানোর কী দরকার ছিল?’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার লেখক-প্রকাশকদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দুদিন বাড়ানো হয় বইমেলার সময়। গতকাল বেলা ১১টায় মেলা শুরু হয়ে চলে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত। মেলার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অংশে বেশ কয়েকটি প্রকাশনীর স্টলে নিজেদের প্রকাশিত বইয়ের বাইরেও বাচ্চাদের আকৃষ্ট করার মতো কিছু রংচটা বই দেখা যায়। আবু সুফিয়ান নামে একজন দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘মেলায় কিছু স্টলে বাচ্চাদের কার্টুনের বইয়ের নামে মানহীন বই বিক্রি হচ্ছে। নীলক্ষেতের ফুটপাতে যে বইগুলো ২০ টাকায় বিক্রি হয়, সেই বইগুলো মেলার কয়েকটি স্টলে ২০০-৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।’ বাংলা একাডেমির লিটলম্যাগ চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, একাধিক স্টলে মটু-পাতলুসহ বেশকিছু বিদেশি কার্টুনের বই বিক্রি হচ্ছে। ব্যানারহীন একটি স্টলে মানহীন বই বিক্রির অভিযোগে উপস্থিত বইপ্রেমীরা স্টলটির বই বিক্রি বন্ধ করে দেয়। সেখানে উপস্থিত থিয়েটারবিষয়ক ছোটকাগজ ক্ষ্যাপার বিক্রয় প্রতিনিধি হাসান আলী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘লিটলম্যাগ চত্বরের কয়েকটি স্টলে সস্তা-মানহীন শিশুতোষ বই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা দেখে মনে হচ্ছে অনেকটা দায়সারাভাবে চলছে মেলার বর্ধিত দিনের আয়োজন।’

বাংলা একাডেমির জনসংযোগ উপবিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল মেলায় নতুন বই এসেছে ৮৬টি। এর মধ্যে রয়েছে গল্পগ্রন্থ ১৫টি, উপন্যাস ৭টি, প্রবন্ধ ৩টি, কবিতা ৩১টি, ছড়া ২টি, শিশুসাহিত্য ৬টি, জীবনী ২টি, মুক্তিযুদ্ধ ৬টি, বিজ্ঞান ৩টি, নাটক, ভ্রমণ, রাজনীতি, কম্পিউটার, অনুবাদ ও সায়েন্স ফিকশন একটি করে আর অন্যান্য ৫টি। গতকাল কোনো সাংস্কৃতিক আয়োজন ছিল না। আজ শনিবার বেলা ১১টায় শুরু হয়ে মেলা চলবে রাত ৯টা পর্যন্ত।

সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত আলোচিত