আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে দেখতে এসে ডা. দেবী শেঠির মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বিএসএমএমইউতে নেওয়া হয়। সেখানে আমাদের চিকিৎসকদেরও চিকিৎসা যে সঠিক ও বিশ্বমানের ছিল তা ডা. শেঠির কথাতেই উঠে আসে। সুতরাং বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তারা ঠিক বলেন না। আমাদের দেশে যে বিশ্ব মানের চিকিৎসা সম্ভব তা বিদেশের প্রখ্যাত চিকিৎসকরাও স্বীকার করেন।
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক সোমবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর বক্তৃতাকালে এসব বলেন।
উল্লেখ্য, সোমবার ভারতের বেঙ্গালুরু থেকে এসে বিশ্ব বরেণ্য চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) চিকিৎসাধীন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরর চিকিৎসা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় ডা. দেবী শেঠি বলেন, যে চিকিৎসা ওবায়দুল কাদের পেয়েছেন ইউরোপ, আমেরিকাতেও এর চেয়ে বেশি হতো না।
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী রুহুল হক বলেন, আমাদের দেশে অনেক ক্ষেত্রে কোন কোন হাসপাতালে উপযুক্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম এখনো আমরা সরবরাহ করতে পারিনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি জানান, সাতক্ষীরাতে একটি ২৫০ সজ্জার হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হলেও এখনো পর্যন্ত পর্যাপ্ত চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ডাক্তার নিয়োগ দেওয়া হয়নি। এ সময় তিনি অবিলম্বে সেখানে ডাক্তার নিয়োগ সহ সব ধরনের সুবিধা দেওয়ার জন্য বর্তমান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সাতক্ষীরা বাসির প্রধান আয়ের ক্ষেত্র চিংড়ি চাষ ও তা থেকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক আয়ের উল্লেখ করে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের আহ্বান জানান।
এমপি মাহাবুব আরা বেগম গিনি বলেন, দেশের জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই উন্নয়নে কারিগর মনে করেন। কারণ তার আমলে দেশে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে সর্ব ক্ষেত্রে। সে কারণে এবারের নির্বাচনে বিরোধী দলের অনেক নতুন ও যুবক ভোটাররা তাদের পারিবারিক সিদ্ধান্তের বাইরে এসে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছে। এমনকি দেশের সরকারি-বেসরকারি কর্মচারী ও প্রশাসন-পুলিশের অনেকেই শেখ হাসিনাকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবারও দেখতে চেয়েছেন। যার ফলে বিপুল ভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ নিশ্চিত ভাবে গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন গিনি।
ইসমত আরা সাদেক তার বক্তব্যে শেখ হাসিনা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের উল্লেখ করে বলেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জনগণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কারণেই আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেছে। এ সময় তিনি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাট সব ক্ষেত্রে দেশের প্রভুত উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরেন।
