ফিফা প্রীতি ম্যাচে কম্বোডিয়াকে হারাল বাংলাদেশ

আপডেট : ০৯ মার্চ ২০১৯, ০৭:৩৮ পিএম

প্রাধান্য বিস্তার করে খেলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না বাংলাদেশ। ড্র নিয়ে যখন মাঠ ছাড়ার শঙ্কা তখন ত্রাতা হয়ে এলেন রবিউল হাসান। তার একমাত্র গোলে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে কম্বোডিয়াকে হারল বাংলাদেশ।

কম্বোডিয়ার নমপেন অলিম্পিক স্টেডিয়ামে শনিবার কম্বোডিয়াকে ১-০ গোলে হারায় বাংলাদেশ। ম্যাচের ৮৩ মিনিটে মাহবুবুর রহমান সুফিলের পাস থেকে গোলটি করেন রবিউল।

এর আগের তিন সাক্ষাতে কম্বোডিয়ার বিপক্ষে কখনো হারেনি বাংলাদেশ। ২০০৬ সালে এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপে ২-১ গোলে জিতেছিল বাংলাদেশ। পরের বছর নেহরু কাপে দুই দলের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়। ২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলে জিতে বাংলাদেশ। এবারও কম্বোডিয়ার বিপক্ষে সেই অপরাজিত থাকার ধারা ধরে রাখল জেমি ডের দল।

গেল অক্টোবরে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের পর আর মাঠে নামা হয়নি বাংলাদেশ জতীয় দলের। পাঁচ মাস পর মাঠে ফেরে এই জয় বাংলাদেশকে দারুণ উজ্জীবিত করবে স্বাভাবিক।

তবে ম্যাচটি ড্র হলে নানা আক্ষেপই ভর করত বাংলাদেশ শিবিরে। একে তো দারুণ দারুণ সব আক্রমণ করেও গোল আদায় করতে পারেনি বাংলাদেশ। তার ওপর কম্বোডিয়ার এই দলটা মূল জাতীয় দল নয়। তরুণদের প্রাধান্য দিয়ে নবীন একটা দল গড়েছিল তারা।

যে দলটা স্বাগতিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একের পর এক হতাশা উপহার দিচ্ছিল। রবিউলের পায়ে শেষ পর্যন্ত গোলের জট খোলা। সুফিলের প্রশংসা যেখানে না করলেই নয়। নাবীব নেওয়াজ জীবনের বদলি নামা এই ফরোয়ার্ড দারুণ প্রচেষ্টায় ডি বক্সের ভেতরে নিখুঁত এক পাস দিয়েছিলেন রবিউলকে। যা জালে জড়াতে ভুল করেননি রবিউল।

মূল জাতীয় দল না খেলালেও এই ম্যাচ আন্তর্জাতিক ম্যাচ হিসেবেই লেখা থাকবে। তাই বাংলাদেশের জয়কে খাটো করে দেখারও কিছু নেই। তা ছাড়া র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের ২০ ধাপ ওপরে কম্বোডিয়া। বাংলাদেশ যেখানে ১৯২ স্থানে, সেখানে কম্বোডিয়ার অবস্থান ১৭২। ফিফা টায়ার-১ ম্যাচের এই জয় র‌্যাঙ্কিংয়েও তাই ভালো প্রভাব ফেলবে।

কম্বোডিয়া বাংলাদেশকে হারানোর পণ নিয়েই মাঠে নেমেছিল। বাংলাদেশের মূল জাতীয় দলকে কখনো হারাতে না পারলেও ২০১৬ সালে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে বাংলাদেশ অলিম্পিক দলকে হারিয়েছিল কম্বোডিয়া। সেই জয়কে প্রেরণা মানছিল তারা। তবে শেষ পর্যন্ত নিজেদের মাঠে হার নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাদের।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত