নিউ জিল্যান্ডে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচেছেন বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা। বাতিল হয়েছে সফর। সন্ত্রাসীদের জন্য সফর কিংবা ম্যাচ বাতিল করার ঘটনা এই প্রথম নয়। একাধিকবার ক্রিকেট বিশ্বের এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে। পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল এমনই কয়েকটি আলোচিত ঘটনা।
নিউ জিল্যান্ডের শ্রীলঙ্কা সফর (১৯৮৭): সেবার তিনটি টেস্ট খেলার কথা ছিল দুই দলের। কিন্তু প্রথম ম্যাচ খেলার পরেই নিউ জিল্যান্ড তাদের সফর বাতিল করে। কলম্বোয় টিম হোটেলের পাশে বোমা হামলায় ১১৩ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান। সেদিন কিউই ক্রিকেটাররা হামলার কিছুক্ষণ আগে ওই স্থান ত্যাগ করেন।
নিউ জিল্যান্ডের পাকিস্তান সফর (২০০২): এবারও হোটেলের বাইরে বোমা হামলা হয়। কিউই ক্রিকেটাররা হোটেল থেকে সেটি দেখেন। ওই ঘটনায় মারা যান ১২ জন। ঘটনার পরপর তারা সফর বাতিল করে।
শ্রীলঙ্কার পাকিস্তান সফর (২০০৯): এবার সরাসরি দলের ওপর হামলা হয়। শ্রীলঙ্কা দল দ্বিতীয় টেস্টের তৃতীয় দিন মাঠে যাচ্ছিল। দলের সবাই তখন বাসে। হঠাৎ শুরু হয় গোলাগুলি। ছয়জন নিরাপত্তাকর্মী মারা যান। লঙ্কান ক্রিকেটাররা বাসের ভেতর শুয়ে থেকে নিজেদের রক্ষা করেন। সেই থেকে পাকিস্তানে আন্তর্জাতিক ম্যাচ কমে গেছে।
বাংলাদেশের নিউ জিল্যান্ড সফর (২০১৯): সর্বশেষ ঘটনা ঘটে গেল শুক্রবার। ক্রাইস্টচার্চের আল নূর মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের। কিন্তু তাদের একটু দেরি হয়ে যায়। আর তাতেই রক্ষা!
এদিন আল নূর ছাড়া লিনউড মসজিদেও হামলা হয়। এখন পর্যন্ত ৪৯ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন মোট ৪৮ জন। ঘটনার পর নিউ জিল্যান্ড সফর বাতিল করেছে বাংলাদেশ। শনিবার রাতেই তাদের দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
