বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত: জবি উপাচার্য

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০১৯, ০৯:১৯ পিএম

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান বলেছেন, পাঠ্যপুস্তককে জাতির জনকের ভাষণগুলো অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

রবিবার  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির ৩২নং সড়কের বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

ভিসি বলেন, বঙ্গবন্ধুর প্রত্যেকটি ভাষণই কালজয়ী। তার ৭’ই মার্চের ভাষণ জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল এবং এ ভাষণকে আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল মন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিলাম। জাতির জনকের এ ভাষণ আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর এমন অনেক ভাষণ আছে, যেখানে একটা জাতির এগিয়ে যাওয়ার জন্য কি করতে হবে, প্রতিবন্ধকতায় কিভাবে উত্তরণ ঘটাতে হবে এমন সকল প্রকার দিক নির্দেশনা দেওয়া আছে। আমি মনে করি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণগুলো বিভিন্ন পর্যায়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

তিনি বলেন, আমাদের এ এলাকায় আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা বলতে যা বোঝায় তা কখনোই ছিল না। হাজার বছর ধরে বিভিন্ন রাজা, জমিদারি এসব ছিল। সেই আধুনিক রাষ্ট্রের চিন্তাটা বঙ্গবন্ধুর। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই প্রথম বাঙালির জন্য স্বপ্ন দেখেন একটি স্বাধীন, সার্বভৌম আধুনিক রাষ্ট্রের। বাংলাদেশ জন্মানোর পুরা কৃতিত্বই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। তিনি ধাপে ধাপে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে নির্যাতিত বাঙালি জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে এ দেশ একটি স্বাধীন সার্বভৌম আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

বিখ্যাত জার্মান দার্শনিক হেগেল এর উদ্ধৃতি দিয়ে উপাচার্য বলেন, পৃথিবীতে মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হচ্ছে রাষ্ট্র তৈরি করা। একটা রাষ্ট্র আর রাষ্ট্রে সার্বভৌমত্ব সৃষ্টি হলো সেরা সৃষ্টি। এই কারণে বঙ্গবন্ধু এ রাষ্ট্রে জনক, তিনি এই রাষ্ট্র জন্ম দিয়েছেন। আমাদের কাজ হচ্ছে, বেশি বেশি করে বঙ্গবন্ধুকে অনুসরণ করা।

বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা আর এখন পাকিস্তান সরকারের গোয়েন্দা সংস্থার সিক্রেট ডকুমেন্টস যেমন 'সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইন্টেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অব দ্য নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান' শীর্ষক বইগুলো বের হচ্ছে। এগুলো নিয়ে যদি নতুন প্রজন্ম অধ্যয়ন করে, পড়াশোনা করে, নতুন প্রজন্ম তাদের সকল প্রকার দিক নির্দেশনা পেয়ে যাবে। ছাত্র রাজনীতি, জাতীয় রাজনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে কি করতে হবে সব দিক নির্দেশনা পেয়ে যাবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত