বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে মন্দার শঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের প্রধান প্রধান পুঁজিবাজারে বড় ধরনের দরপতনের ঘটনা ঘটেছে।
যুক্তরাজ্যের এফটিএসই ১০০ পুঁজিবাজার চলতি বছরের মধ্যে সবচেয়ে বাজে দিনের মুখোমুখি হয়েছে। দিন শেষে সূচক কমেছে ২ শতাংশ।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান তিনটি পুঁজিবাজারে সূচক ১.৯ থেকে ২.৫ পর্যন্ত কমেছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
মার্চ মাসে গত পাঁচ বছরের মধ্যে ইউরোপ অঞ্চলের উৎপাদন প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে কম হওয়ায় পুঁজিবাজারে এ দরপতনের ঘটনা ঘটেছে।
একইসঙ্গে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার নির্ধারণে মন্দার সতর্কতা উচ্চারণ করায় বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়েছেন।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ব্যাংক জানায়, ধীর প্রবৃদ্ধির কারণে বছরের বাকি সময়টুকুতে সুদের হার না বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
এতে ডাউ জোন্স সূচক ১.৮, এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ১.৯ এবং নাসডাক ২.৫ শতাংশ সূচক হারিয়েছে যা তিন পুঁজিবাজারেরই গত তিন মাসের মধ্যে সবচেয়ে বাজে লেনদেন।
গ্রান্ট থরটন’র প্রধান অর্থনীতিবিদ ডিয়ান সোনক বলেন, ইউরোপের ‘পাওয়ার হাউজ’ হিসেবে পরিচিত জার্মানির উৎপাদনের পরিমাণ গত মাসে কম ছিল। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ব্রেক্সিট নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার মার্কিন সিদ্ধান্ত। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।
তিনি আরও বলেন, “তথ্যের অবাধ প্রবাহও এই দরপতনের ঝুঁকি বাড়িয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে পুঁজিবাজার এমন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। ভালো কিংবা মন্দ- দুই ধরনের খবরেই অতি প্রতিক্রিয়া দেখায় পুঁজিবাজার।”
