ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমারকে ইসরায়েলে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। এই আমন্ত্রণ গ্রহণ করে নিজ দেশে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার নেইমার।
সম্প্রতি ইসরায়েলে চারদিনের সফরে এসেছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জেইর বলসোনারো। ব্রাজিল প্রেসিডেন্টকে পাশে রেখে নেইমারকে আমন্ত্রণ জানান নেতানিয়াহু।
এর একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে বলসোনারোর টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে। নেইমারের পাশাপাশি নেতানিয়াহু ইসরায়েলে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ব্রাজিলের তারকা সার্ফার গাব্রিয়েল মেদিনাকেও।
নেতানিয়াহু বলেন, “প্লিস, ইসরায়েলে আসুন। নেইমার ও মেদিনা দু’জনকেই আমন্ত্রণ। আপনারা সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ইসরাইলে আসুন! জেরুজালেম আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছে।”
আমন্ত্রণ পেয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন নেইমার-মেদিনা। বলসোনারোর টুইটারের প্রকাশিত ভিডিওতে নেইমার বলেছেন, “হ্যালো বিবি (বেনেঞ্জামিন নেতানিয়াহু) ও বলসোনারো। আমাদেরকে ইসরায়েলে আমন্ত্রণ জানানোয় ধন্যবাদ। আমরা আসছি।”
ব্রাজিলের উগ্র জাতীয়তাবাদী প্রেসিডেন্ট বলসোনারোকে দেশটির যে কয়েকজন ক্রীড়াবিদ সমর্থন দিয়েছেন নেইমার তাদের একজন। ইসরায়েলে নির্বাচনের কয়েকদিন আগে নেতানিয়াহুকে সহায়তায় এগিয়ে আসলেন পিএসজি ফরোয়ার্ড।
নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহুর সমর্থনে এগিয়ে আসায় সমালোচনা শুনতে হচ্ছে নেইমারকে। একজন টুইটারে লিখেছেন, “নেইমার জানেন না যে, তিনি কী করছেন। নেতানিয়াহুর মতো একজন দুর্নীতিবাজ খুনিকে সমর্থন দিয়ে ইসরায়েলপন্থি অবস্থান নিয়েছেন নেইমার।”
আরেকজন নেইমার ও মেদিনাকে মৌলবাদীদের সমর্থক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট দিলমা রোসেফের অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত এক টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে লেখা হয়েছে, “ব্রুনা (নেইমারের সাবেক প্রেমিকা) যখন আফ্রিকা সফরে করছে এবং টর্নেডোতে বিপর্যন্ত শিশুদের সহায়তা করছে, নেইমার তখন বোলসোনারো ও দুর্নীতিগ্রস্ত, ফিলিস্তিনি শিশু হত্যায় জড়িত প্রধানমন্ত্রীর নিমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। ব্রেক-আপে ব্রুনা কিছুই হারায়নি। বরং নিজেকে মুক্ত করেছে!”
