মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০১৯, ০৬:০৬ পিএম

নারায়ণগঞ্জে নিখোঁজের ১০ দিন পর মাটি খুঁড়ে ঝুট ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান ওরফে সেলিম চৌধুরীর (৫২) বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ফতুল্লা থানার ভোলাইল এলাকায় ওয়ালটনের শো-রুমের পাশের একটি ঝুটের গোডাউনের নিচে মাটি চাপা অবস্থায় ব্যবসায়ীর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করে ফতুল্লা মডেল থানা-পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে স্ত্রী ও আত্মীয়রা এসে লাশ শনাক্ত করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আসলাম হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে বিস্তারিত বলা যাবে।

নিহতের স্ত্রী রেখা চৌধুরী জানান, সেলিম চৌধুরী ৩১ মার্চ সকালে ব্যবসায়িক কাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। বেলা ১১ টার দিকে পঞ্চবটি ইস্টার্ন ব্যাংকে অবস্থান করছেন বলে স্ত্রীকে জানান তিনি। পরে দুপুর ২ টায় ফোন করলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ৬ এপ্রিল ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন রেখা চৌধুরী।

তিনি আরও জানান, ভোলাইলের মোহাম্মদ আলী নামের এক ঝুট ব্যবসায়ীর কাছে ২ লাখ টাকা পাওনা ছিলেন সেলিম। ওই টাকা নিয়ে টালবাহানা করছিল মোহাম্মদ আলী।

ফতুল্লা মডেল থানার এস আই মামুন আল আবেদ দেশ রূপান্তরকে জানান, জিডি ও অভিযোগের সূত্র ধরে মোবাইল ট্র্যাকিং করে সেলিমের নিখোঁজের সময়কার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরে বুধবার দুপুরে ভোলাইলে মোহাম্মদ আলীর ঝুটের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে কর্মচারী ফয়সালকে (২৮) আটক করা হয়। তার দেওয়া স্বীকারোক্তিতে মাটি খুঁড়ে বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করা হয়। ৩১ মার্চ রাতেই সেলিমকে হত্যা করে লাশ মাটি খুঁড়ে পুতে রাখা হয় জানিয়েছে ফয়সাল।

এলাকাবাসী জানায়, সেলিম চৌধুরী ঝুট ব্যবসা করে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছিলেন। সম্প্রতি ব্যবসায়িক মন্দায় পড়ে যাওয়ায় অনেকে তার কাছে টাকা পেত। সেও অনেকের কাছে টাকা পেত। ব্যবসায়িক লেনদেনের কারণেই তাকে হত্যা করে লাশ মাটিতে পুতে রাখা হতে পারে বলে অনেকের ধারণা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত