সোনাইমুড়িতে দু’সন্তানের জননীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২

আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৪৩ পিএম

সোনাইমুড়ির নাটেশ্বর গ্রাম থেকে দু’সন্তানের জননীকে অপহরণ করে দুদিন আটক রেখে দল বেঁধে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার দু’আসামীর একজনকে ৩ দিন ও একজনকে ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন নোয়াখালীর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।

মামলার এজাহার ভুক্ত আরো দুই আসামিকে পুলিশ এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

সোনাইমুড়ি থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ ইমদাদুল হক জানান, বারগাঁও ইউনিয়নের দুই সন্তানের জননী (৩৫) নয় এপ্রিল সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ থাকে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে আবদুল বাকি সোনাইমুড়ি থানায় দশ এপ্রিল সাধারণ ডাইরি করে। এরপরে দশ এপ্রিল রাত ১১.৩০ টায় বারগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইব্রাহিম মাস্টারের বাড়ির পুকুর থেকে অজ্ঞান অবস্থায় ভিকটিমকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়।

পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়ার পর তার জ্ঞান ফিরে এলে সে জানায় এলাকার আমিনুল ইসলাম মিন্টু (৩৩), নিজাম উদ্দিন ওরপে বাচ্চু (৪২), আলাউদ্দিন (৩৫), নুরনবী প্রকাশ তারেক (২৮) তাকে অপহরণ করে জনৈক প্রবাসীর পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে আটক করে এবং দু’দিন ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে অজ্ঞান অবস্থায় এখানে ফেলে যায়।

এ ব্যাপারে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে সোনাইমুড়ি থানার অপহরণ, ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলা দায়ের করেছেন।

পুলিশ ধর্ষক আমিনুল ইসলাম মিন্টু ও নিজাম উদ্দিন বাচ্চুকে গ্রেপ্তার করে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেন এবং প্রত্যেকের ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে সোমবার আদালতে দীর্ঘ শুনানির পর জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাউদিন নাহির আদালত ধর্ষক আমিনুল ইসলাম মিন্টুর ৩ দিন ও নিজাম উদ্দিন বাচ্চুর ২ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার অন্য দুই আসামি আলাউদ্দিন (৩০) ও নুরনবী তারেককে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এদিকে ধর্ষকদের ফাঁসি দাবি করে সোমবার নোয়াখালী শহরে নারী কল্যাণ সমিতি নোয়াখালীতে মানববন্ধন করেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত