নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে এক প্রবাসীর স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই গৃহবধূর নাম শারমিন আক্তার রিতু (১৮)। তিনি উপজেলার চরফকিরা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কালা মিয়ার নতুন বাড়ির ফখরুল ইসলামের মেয়ে। এ ঘটনায় পুলিশ নিহতের শ্বশুর আবুল কালাম (৬০), শাশুড়ি আরাধনীকে (৫০) আটক করেছে। এ ঘটনার পর থেকে রিতুর স্বামী মোশারেফ হোসেন বাহাদুর পলাতক রয়েছে।
রিতুর মা তৈয়বের নেছা জানান, একই এলাকার ওমান প্রবাসী বাহাদুরের সঙ্গে বছর তিনেক আগে রিতুর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে জামাতা বাহাদুর, তার মা, বোন যৌতুকের দাবিতে রিতুকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করত। তারা নগদ ৩ লাখ টাকা দাবি করে। এ নিয়ে একাধিকবার সামাজিকভাবে আপস-মীমাংসাও হয়। এর রেশ ধরে সম্প্রতি তাদের সম্পর্কে আরও অবনতি হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘রিতুর স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি ও ননদ তার মেয়েকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। পরে তারা আমার মেয়েকে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। পরে হাসপাতালের আঙিনায় লাশ রেখে রিতুর শ্বশুর-শাশুড়ি পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।’ পরে খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ থানায় নিয়ে আসে।’’
