দিনে কত সময় স্ক্রিন দেখতে দেবেন শিশুকে

আপডেট : ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১০:২২ পিএম

স্মার্টফোনে প্রাপ্তবয়স্করাই শুধু আসক্ত নন, শিশুদের জন্যও এটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বাচ্চা সামলাতে তাদের হাতে স্মার্টফোন ধরিয়ে দিচ্ছে বাবা-মায়েরা। শুধু কি স্মার্টফোন-টিভি, কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিংবা ট্যাব, সবই এখন শিশুর নাগালে।

কিন্তু একটি শিশু কতক্ষণ স্ক্রিনের সামনে কাটাতে পারবে? কারণ এর সঙ্গে যুক্ত আছে শিশুর স্বাস্থ্য।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও) জানিয়েছে, বসে বসে স্ক্রিন দেখাতে নয় বরং বাচ্চা যত ছুটবে এবং খেলবে তাতে ভালো থাকবে তার ভবিষ্যৎ। এ জন্য স্ক্রিনের সামনে কত সময় কাটাবে শিশু, তা নিয়ে একটি নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।

ডব্লিওএইচও জানায়, টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটারে যতটা সম্ভব কম সময় কাটাতে হবে পাঁচ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের।

যত কম সময় স্ক্রিনের সামনে থাকবে তারা তত ঘুম ভালো হবে তাদের। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবান হয়ে উঠতেও স্ক্রিন নয়, খেলার মাঠেই বেশি নিয়ে যেতে হবে বাচ্চাদের।

এ ছাড়া একেবারে কম বয়সী বাচ্চাদের মোটেই স্ক্রিনের সামনে বসিয়ে দেওয়া যাবে না। অনেকে শান্ত রাখতে বা খাওয়াতে বাচ্চাদের স্মার্টফোন ধরিয়ে দেয় বা টিভি-কম্পিউটার খুলে দেয়। কম বয়সী বাচ্চাদের ক্ষেত্রে এটি বন্ধ রাখতে হবে।

এক বছরের বাচ্চাদের কম্পিউটারে গেম খেলতে দেওয়াটাও উচিত হবে না। ২ থেকে ৪ বছর বয়সী শিশুদের বেশি করে শারীরিক ক্রিয়াকলাপে ব্যস্ত থাকা উচিত। খেলাধুলাসহ নানা কাজে শিশুদের নিযুক্ত করুন।

তাই বলে একেবারেই যে শিশুদের স্ক্রিন ব্যবহার করতে দেবেন না, তা কিন্তু নয়। তবে সে ক্ষেত্রে সময় হচ্ছে এক ঘণ্টা। এর বেশি সময় যাতে শিশু স্ক্রিনের সামনে না থাকে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত