হাতে গোনা কয়েক জন ছাড়া বেশির ভাগ বলিউড তারকা নিজে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন না। তাদের জন্য আছে পাবলিসিস্ট ও এজেন্ট।
কতজন ফলোয়ার্স তা দিয়ে নাকি আজকাল তারকার ব্র্যান্ড ভ্যালু মাপা হয়। এটি বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে অনেক রকম বিপণনের সঙ্গে যুক্ত। অথচ অধিকাংশ ফলোয়ারই ভুয়া। ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা বাড়ানো হয়। টাকার বিনিময়ে কেনা হয় লাইক ও শেয়ার।
এ ছাড়া তারকাদের ঝগড়াঝাঁটিতে থাকে টাকার খেলা। যেমন; কঙ্গনা রনৌত ও হৃতিক রোশন ফের ঝগড়ায় নেমেছেন। তাদের পাশাপাশি মাঠে নেমে পড়েছে লাখ লাখ ফলোয়ার। এখন দুই পক্ষের ম্যানেজার-পিআর এজেন্সি উঠেপড়ে লেগেছে কঙ্গনা আর হৃতিকের সমর্থনে লবি তৈরি করতে।
জানা গেছে, এ কাজে ব্যবহার হচ্ছে ভুয়া অ্যাকাউন্ট। কেনা হয়েছে পোস্ট। এ নিয়ে এজেন্সিগুলোর রয়েছে তথ্য ভান্ডার। তালিকায় থাকা সদস্যদের বলে দেওয়া হয় কী লিখলে বেশি নজর কাড়বে। কলেজ শিক্ষার্থীদের এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানো হয়। টুইট বা পোস্ট পিছু দশ রুপি দেওয়া হয়। কঙ্গনা-হৃতিক বিতর্ক নাকি পুরোটাই এ ধরনের।
সারা আলী খান বা অনন্যা পাণ্ডের মতো অভিনেত্রীরা ইন্ডাস্ট্রিতে আসার সঙ্গে সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াতে জনপ্রিয়। এর পেছনে পিআর এজেন্সির প্রভাব রয়েছে।
এমন কাণ্ড নাকি ভারতের অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রিতেও ছড়িয়ে পড়েছে। তাই আজকাল সিনেমা না দেখলেও ইউটিউবে বা ফেসবুকে টিজার ও গান দেখার লোকের অভাব পড়ে না।
