রসালো ফল আম শুধু গরমে আরমাই দেয় না বাড়ায যৌন সক্ষমতাও। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিশেষত ভারতের কোথাও কোথাও যৌন জীবনে অক্ষম পুরুষদের চিকিৎসায় আম প্রেসক্রিপশন করা হয় বলে জানা যায়।
প্রবাদে আমের মুকুলকে দেবশিশু ও আমকে অমৃতধারা হিসাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
বলা হয়েছে, ‘আমৃতে’র পুষ্টিগুণে বার্ধক্যেও অটুট থাকবে ‘যৌবন’।
বিজ্ঞান বলছে, আমের প্রতি ফোঁটা রসে ভরপুর থাকে ভিটামিন ‘ই’।
তারুণ্য ধরে রাখতে ‘ই’ ভিটামিনের ভূমিকা সবারই জানা। ত্বকের চমক ও কমনীয়তা ধরে রেখে ভিটামিন ‘ই’ বয়সকে বেঁধে রাখে।
তবে এই ভিটামিনের অন্য নাম ‘সেক্স’ ভিটামিন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেক্স হরমোনের ভারসাম্য রাখাই ভিটামিন ‘ই’র প্রধান কাজ।
আর এভাবেই পুরুষের শুক্রাণুর সংখ্যা ও তার কর্মক্ষমতাকে বাড়াতে সাহায্য করে ফলের রাজা আম।
শুধু পুরুষের যৌন জীবনই নয়, আমের রসে সতেজ হয়ে ওঠে নারীর যৌন আবেদনও। বাড়তে থাকা বয়স, দৈনন্দিন জীবনের উদ্বেগ, কাজের চাপ, সব হার মানে আমের কাছে।
এ ছাড়া আমে রয়েছে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’।
এই দুই ভিটামিনেরই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট প্রভাব রয়েছে। ফলে দেহকোষকে বুড়িয়ে যেতে বাধা দেয় আম।
গবেষকদের দাবি, আমের প্রধান উপাদান শর্করা ও ফাইবার হলেও এর অন্য উপাদানের তালিকায় রয়েছে কপার, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ও ভিটামিন ‘বি’ কমপ্লেক্স। ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড- যা হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
