লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই ভরাডুবির দায় নিজের ঘাড়ে নিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিছু সূত্রে তার পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে খবর ছড়াতেই দলে আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
শনিবার দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কী করবেন কংগ্রেস সভাপতি তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। রাহুলের ইস্তফার কথা শুনে দলের তরুণ নেতারা দিল্লির উদ্দেশে ছুটছেন।
আনন্দবাজার জানায়, কংগ্রেসের তরুণ নেতৃত্ব চান, রাহুল যাতে কোনোভাবেই ইস্তফা না দেন। তারা মনে করছেন, রাহুল জেদ ধরে থাকলে ইস্তফা দিয়েই দেবেন।
রাহুল ইস্তফা দিতে চাইলে আদৌ কি সেটা গ্রহণ করা হবে- এমন প্রশ্নে মতিলাল ভোরার মতো প্রবীণ নেতারা রাহুলেই আস্থা রাখছেন। তার পাল্টা প্রশ্ন- “রাহুল গান্ধীর পরিবর্তে দায়িত্ব নিতে পারেন, দলে এমন ব্যক্তি কে আছে?”
অবশ্য দলে শীর্ষ পদের প্রত্যাশী যে নেই, তা নয়। রাহুল জমানায় ‘উপেক্ষিত’ নেতারা এখন সুযোগ বুঝে খড়গহস্ত তার ওপরে। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত, সুশীল কুমার শিণ্ডে, তরুণ গগৈ, মল্লিকার্জুন খড়্গের নাম নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।
অনিল শাস্ত্রীর মতে, “রাহুল গান্ধীর ইস্তফা দেওয়া কোনো কাজের কথা নয়। ইস্তফা দেওয়া মানে দায়িত্ব থেকে পালিয়ে যাওয়া। বরং এই পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই করে যেতে হবে।”
সদস্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে ৫৪২ আসনের মধ্যে ৩৫২টি পেয়েছে নরেন্দ্র মোদির বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ পেয়েছে ৯১ আসন। আঞ্চলিক দলগুলো পেয়েছে ৯৯ আসন। রাহুল দুটি আসনে লড়ে হেরেছেন একটিতে।
