বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) মেডিকেল অফিসার নিয়োগে নেওয়া বিতর্কিত পরীক্ষা বাতিল হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল হান্নান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভা শেষে দেশ রূপান্তরকে একথা জানান তিনি।
সিন্ডিকেট সভায় তিনটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক. নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হবে না। দুই. স্থগিত হওয়া মৌখিক পরীক্ষার প্রক্রিয়া পুনরায় দ্রুত চালু করা হবে। তিন. উপাচার্যের কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় জড়িত চিকিৎসকদের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া সাংবাদিকদের বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। দ্রুত চলমান চিকিৎসক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
আন্দোলনের নামে যারা বিশ্ববিদ্যালয়কে উদ্ভূত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বেশ কয়েক দিন ধরে বিএসএমএমইউতে ২০০ মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষার ফল বাতিল ও উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন পরীক্ষার্থীরা।
গত ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত ২০০ জন মেডিকেল অফিসার নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল গত ১২ মে দুপুরে প্রকাশ হয়।
পরীক্ষার ফল ঘোষণার পরপরই প্রশ্নপত্র ফাঁস, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে অর্ধশতাধিক চিকিৎসক বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা কয়েক দফা উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করেন। মঙ্গলবার আন্দোলনের মুখে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেন উপাচার্য।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। উপাচার্য ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকদের স্বজনদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য পরীক্ষার ফলে টেম্পারিং করা হয়েছে।
