স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা, সহায়তাকারী আটক

আপডেট : ১৯ জুন ২০১৯, ০৮:০২ পিএম

আশুলিয়ায় প্রতিবেশী এক নারীর সহযোগিতায় ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে অপর প্রতিবেশী জামশেদ।

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর তা মীমাংসার জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীদের দিয়ে উল্টো ওই স্কুল ছাত্রীর পরিবারকে চাপ সৃষ্টি করা হয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করলে বুধবার দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

এসময় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় সহায়তাকারী পোশাক শ্রমিক রাবেয়া বেগমকে আটক করা হলেও ধর্ষক জামশেদ পলাতক থাকায় তাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় আশুলিয়ার ধনাইদ এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এঘটনায় পুলিশ ভুক্তভোগী ওই শিশুকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছে।

ধর্ষণে সহায়তার ঘটনায় আটক নারী শ্রমিক রাবেয়া বেগম (৩০) গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি থানার নাটেরহাট গ্রামের মো. সিদ্দিকের স্ত্রী। এছাড়া ধর্ষক জামশেদ হোসেন একই জেলার ভাঙাবুনিয়া গ্রামের মো. আব্দুল হান্নানের ছেলে।

থানা-পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় আশুলিয়ার ধনাইদ এলাকায় প্রতিবেশী নারী রাবেয়া বেগম কাজের কথা বলে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীকে কৌশলে আরেক প্রতিবেশী জামশেদের ঘরে রেখে আসে। এ সময় জামশেদ ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী শিশুটির মা জানায়, প্রতিবেশী রাবেয়া তার মেয়েকে ঘর থেকে কৌশলে ডেকে নিয়ে যায়। পরে মেয়েকে ঘরের ভেতরে রেখে রাবেয়া বাইরে চলে গেলে জামশেদ তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। 

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ রিজাউল হক দিপু বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে ধর্ষণে সহায়তাকারী এক নারীকে আটক করা হয়েছে।

এঘটনায় ভুক্তভোগী ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পাশাপাশি ধর্ষক জামশেদকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত