দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ২০ জুন ২০১৯, ১১:৫৬ পিএম

হাতিয়ার ৩৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান ও দাপ্তরিক কার্যক্রম চলছে। এসব ভবনে দুর্ঘটনার শঙ্কা নিয়ে ক্লাস করছে শিশু শিক্ষার্থীরা।

উপজেলার শহিদ ফজলু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় বিদ্যালয়ের চার কক্ষের পাকা ভবনের পলেস্তারা সরে যাওয়ায় বিদ্যালয়ের ছাদ, বিম ও বারান্দার পালার রড বেরিয়ে গেছে। কর্র্তৃপক্ষ এ বিদ্যালয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা নিতে বারণ করায় শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের বারান্দায় কাঁটা দেন। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় পরিত্যক্ত বিদ্যালয় ভবনেই পরীক্ষা চলছে।

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাঈম উল্যাহ বলেন, বিদ্যালয় ভবনে খুব আতঙ্কের মধেই ক্লাস-পরীক্ষা নিচ্ছি, যেকোনো সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

হাতিয়ার ২২৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩৩টিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস। শহিদ ফজলু প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাড়াও পূর্ব জোড়খালী, ইন্দ্রেশ্বরী, চরচেঙ্গা ও চানন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ছে। ওইসব বিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, বৃষ্টিতে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে এবং পিলারগুলো ক্ষয়ে গেছে। কিন্তু বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এসব ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই পাঠদান ও পরীক্ষা চলছে।

হাতিয়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ভবরঞ্জন দাস বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়গুলোর তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-এ-আলম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। ওইসব ভবনে ক্লাস না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে দ্রুত নতুন ভবন নির্মাণকাজ শুরু হবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত