আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার জমি দখলের অভিযোগ

আপডেট : ২২ জুন ২০১৯, ০৫:৫২ পিএম

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন আকনের বিরুদ্ধে ধানের জমি দখলের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা।

শনিবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে জমি মালিক ও মুক্তিযোদ্ধা মো. রুহুল আমিন আকন সংবাদ সম্মেলন করে ওই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ করেন। তবে শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন আকন ওই জমি তার দাদা খবির উদ্দীন আকনের নামে বলে দাবি করেছেন।

লিখিত অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন আকন বলেন, ২০০৩ সালের ২৭ মে জনৈক মহারাজ তালুকদার ও লিটন তালুকদারের কাছ থেকে প্রায় একশ ২০ শতক জমি কেনেন। সেই থেকে তিনি এই জমি ভোগ দখল করে আসছেন। গত ১৭ জুন আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দীন আকনের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জন লোক আমার ওই জমি অবৈধভাবে দখল করে ২৬টি সীমানা পিলার বসিয়ে দিয়েছেন। তিনি রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। বিষয়টি সমাধান করতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

জমি দখলের অভিযোগ অস্বীকার করে শরণখোলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দীন আকন এই প্রতিবেদককে বলেন, ১৯৬৫ সালে আমার দাদা খবির উদ্দীন আকন ওই জমিটি নিলামে ক্রয় করেন। সেই থেকে আমার দাদা জমির খাজনা দিয়ে আসছেন। আমার দাদার পৈতৃক সম্পত্তি অনেক হওয়ায় অধিকাংশ এলাকার জমিতেই সীমানা নির্ধারণ করা নেই। দীর্ঘদিন ধরে আমার এই জমি রুহুল আমিন আকন নামে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছিলেন। এই জমির সব বৈধ কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। গত ১৭ জুন স্থানীয় আমিন নিয়ে ম্যাপ ধরে জমি মেপে ২৬টি সীমানা পিলার দিয়ে আমার জমি অবৈধ দখলমুক্ত করেছি।

তিনি আরও বলেন, রুহুল আমিন আকন যার কাছ থেকে জমি কিনেছেন বলে দাবি করছেন তার কোন বৈধ কাগজপত্র নেই। তিনি ওই জমি কিনে প্রতারিত হয়েছেন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত