১০০ ওভার খেলা শেষে বিশ্বকাপ ফাইনালের ফলাফল টাই। তাই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ ক্রিকেট ফাইনাল গড়ায় সুপার ওভারে। সেখানেও টাই হওয়ায় বিজয়ী নির্ধারণে ইনিংস ও সুপার ওভার মিলিয়ে চার-ছক্কা বেশি মারার হিসাব বিবেচনায় নেওয়া হয়, যেখানে চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক ইংল্যান্ড। এমন নিয়মকে মেনে নিতে পারছেন না নিউজিল্যান্ড কোচ গ্যারি স্টিড। তিনি চান নিয়মের পুনর্বিবেচনা করা হোক। আর কিউই ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলান বলছেন, আইসিসির উচিত ছিল দু’দলকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা।
স্টিড বলেন, ‘১০০ ওভার খেলার পরও সমান সমান ছিল দুই দল। এমন অবস্থার পর রানার্সআপ হওয়ায় ভেতরটা শূন্য বোধ করছি। কিন্তু ক্রীড়াঙ্গনের এটাই কৌশলগত দিক। আমার মনে হয় এই নিয়ম নতুন করে ভেবে দেখা উচিত। তখন হয়তো আরও নতুন কৌশল সামনে চলে আসবে।’ ইংল্যান্ডের ইনিংসে ৫০তম ওভারের চতুর্থ বলে ডিপ মিড উইকেটে ঠেলে দিয়ে স্টোকস দ্বিতীয় রান নেওয়ার সময় গাপটিলের থ্রো করা বল তার ব্যাটে লেগে চার হয়। এতে আম্পায়ার মোট ৬ রান দেন ইংল্যান্ডকে। রানটি ৬ হবে না ৫ এ নিয়ে চলছে বিতর্ক। সেই ঘটনার ব্যাপারে কিউই কোচ বলেন, ‘আমি আসলে এ বিষয়টি ভালো করে জানি না। কিন্তু দিন শেষে আম্পায়াররাই কর্র্তৃত্ব করেন। তারাও খেলোয়াড়দের মতোই মানুষ, ভুল হতে পারে। এটাকে মানবিক দিক দিয়ে দেখতে হবে।’
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং কোচ ম্যাকমিলান মনে করেন, ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডকে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করলে ভালো হতো। বলছিলেন, ‘খেলার ফলাফল পরিবর্তন হবে না। তবে সাত সপ্তাহব্যাপী এত বড় টুর্নামেন্টের পর ফাইনালেও যখন দুই দলকে আলাদা করা না যায় ম্যাচ ও সুপার ওভার শেষে, তখন দুই দলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা যেত। এটাই হতো উপযুক্ত ফলাফল। তা হয়নি বলে আমরা হতাশ হয়েছি। কিন্তু এটাই খেলা আর খেলার নিয়মগুলো মানতে হবে।’
