সব নারীর জন্য সরকারিভাবে অরগানিক কটন প্যাড তৈরি ও তা ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফোরাম (নাসাসু)।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে নাসাসু আয়োজিত ‘সব নারীর জন্য স্যানিটারি প্যাড চাই’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় এ দাবি জানানো হয়। এতে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক (অর্থনীতি বিভাগ) বিদিশা হক, আদিবাসী নারী অ্যাকটিভিস্ট ইলিরা দেওয়ান, চা শ্রমিক অধিকারকর্মী খাইরুন আক্তার, অনন্যা পত্রিকার সহকারী সম্পাদক লাইলী বেগম, স্বাস্থ্য অধিকার কর্মী ড. লেলিন চৌধুরী, উন্নয়নকর্মী এবং মানবাধিকার কর্মী ফেরদৌস আরা রুমী।
ইলিরা দেওয়ান বলেন, যেসব স্বাস্থ্যকর্মী জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি নিয়ে কাজ করে তারাই গ্রামে গ্রামে নারীদের মধ্যে স্যানিটারি প্যাডের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারে৷
অধ্যাপক বিদিশা হক বলেন, স্বাস্থ্য খাত এবং সামাজিক সুরক্ষা খাত থেকে মাসিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে বাজেট বরাদ্দ রাখতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিকার কর্মী ড. লেলিন চৌধুরী জানান, আধুনিক প্রচলিত প্যাড সমূহে যেসব জেল, প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয় তাতে ক্যানসারের উপাদান রয়েছে। তাই সরকারিভাবে অরগানিক কটন প্যাড তৈরি করতে হবে এবং প্যাড উৎপাদনকারী কোম্পানিকে এই ধরনের প্যাড উৎপাদন করতে আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োগ করতে হবে।
চা শ্রমিক অধিকারকর্মী খাইরুন জানান, চা বাগানে কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করা এবং এই বিষয়ক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এর পাশাপাশি রেশন কার্ডে চাল, ডাল, আটা এ রকম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি স্যানিটারি প্যাড বিতরণ করতে হবে।
ফেরদৌস আরা রুমী বলেন, সরকারি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জেন্ডার সেনসেটাইজ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই বিষয়ে ট্যাবু ভেঙে ফেলতে হবে এবং কমিউনিটিকে সঙ্গে রেখে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্যাড উৎপাদনে সচেষ্ট হতে হবে।
