শেরপুর জেলায় বুধবার পর্যন্ত ২১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। বর্তমানে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ১১ জন ডেঙ্গু রোগী। ইতিমধ্যে নয়জন রোগী চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। এ ছাড়া একজন রোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
চিকিৎসকরা বলেছেন, প্রত্যেকেই ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে শেরপুরে আসার পর ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।
ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় জেলা হাসপাতালে ১১ টি শয্যা নিয়ে আলাদা একটি ডেঙ্গু কর্নার খোলা হয়েছে।
সদর হাসপাতালে ভর্তি কসবার আব্দুল মান্নান (৫৫), সজবরখিলার রাজন (৩৪), জঙ্গলদীর রাসুল মিয়া (২৪) বলেন, আমরা ঢাকা থেকে জ্বরে ভুগছিলাম। সেখানে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধও খেয়েছি। পরে বাড়িতে (শেরপুর) এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ডেঙ্গু হয়েছে বলে ডাক্তাররা জানান।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. খাইরুল কবির সুমন বলেন, বর্তমানে ফ্লুইড ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসা চলছে। স্থানীয়ভাবে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। তবে সামনে ঈদের সময় ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসা লোকজনের চাপ বাড়বে। তখন ডেঙ্গু পরিস্থিতি হয়তো কিছুটা জটিল হতে পারে।
সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোবারক হোসেন বলেন, মানুষের মতো ঢাকা থেকে গাড়ির মাধ্যমে যাতে প্রত্যন্ত অঞ্চলে এডিস মশা ছড়িয়ে পড়তে না পারে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এ জন্য সেখান (ঢাকা) থেকে ছেড়ে আসা সব গাড়িতে এডিস মশা নিধনে স্প্রে করা প্রয়োজন।
