টেক্সাসের নিহতরা কি বর্ণবাদী হামলার শিকার?

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০১৯, ১১:০৭ এএম

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের এল পাসো শহরে এক বন্দুকধারীর গুলিতে ২০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ২৬ জন। হামলাকারীর বিরুদ্ধে হেইট ক্রাইম (বর্ণবিদ্বেষী অপরাধ) ও হত্যার অভিযোগ আনা হতে পারে বলে সিএনএনকে জানান এক কর্মকর্তা।

শনিবার স্থানীয় সময় বেলা ১১টায় সিয়েলো ভিস্তা শপিং মলে ওয়ালমার্টের একটি দোকানে এই গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক শ্বেতাঙ্গকে আটক করা হয়েছে। টেক্সাস পুলিশের ভাষ্য, আটককৃত ওই ব্যক্তি একাই হত্যাকাণ্ড চালিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, তাদের হাতে একটি ডকুমেন্ট এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, সেটি ২১ বছর বয়সী হামলাকারীর লেখা। এর সঙ্গে হেইট ক্রাইমের যোগসূত্র রয়েছে।

অনলাইনে পোস্ট করা চার পাতার এই ডকুমেন্টে উঠে এসেছে শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদী ও বর্ণবাদী ধ্যানধারণা। যেখানে অভিবাসী ও হিস্পানিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, অভিবাসী ও প্রথম প্রজন্মের আমেরিকানদের কারণে স্থানীয়রা চাকরির সুযোগ হারাচ্ছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতিকে দূষিত করার জন্য অভিবাসীদের দায়ী করা হয়।

এল পেসো পুলিশ চিফ গ্রেগ অ্যালেন এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, হামলাকারীর কাছ থেকে একটি ইশতেহার পেয়েছেন যা এই ঘটনাকে সম্ভাব্য হেইট ক্রাইমের সঙ্গে যুক্ত করে।

তবে স্থানীয় এফবিআই স্পেশাল এজেন্ট ইন চার্জ এমারসন বুই জানান, এ বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার জন্য আরও তদন্তের প্রয়োজন রয়েছে।

আটককৃত ব্যক্তির নাম প্যাট্রিক ক্রুসিয়াস। তিনি ডালাসের বাসিন্দা। হামলাকারী ‘কোনো ধরনের সংঘাত’ ছাড়াই পুলিশের কাছে ধরা দেয় বলে জানান কর্মকর্তারা।

ধারণা করা হচ্ছে, এইটচ্যান নামের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে চার পৃষ্ঠার ইশতেহার পোস্ট করেন প্যাট্রিক যা বর্ণবাদী, ধর্মান্ধ ও অ্যান্টি-সেমিটিক বার্তায় ভরপুর।

সিএনএন-এর এক বিশ্লেষক জানান, পুলিশ হামলার ঘটনা জানার কম পক্ষে বিশ মিনিট আগে ডকুমেন্টটি অনলাইনে পোস্ট করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত