মাদ্রাসাছাত্রী আসমা আক্তারকে (১৭) দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলার সন্দেহভাজন প্রধান আসামি প্রেমিক হাসান বাঁধন (২০) পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।
অবশ্য পুলিশ তাকে গ্রেপ্তারের দাবি করলেও কোথা থেকে গ্রেপ্তার করেছে সে বিষয়ে কিছুই বলছে না।
পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, পঞ্চগড় সদর উপজেলার ওরফে ছেলে মারুফ বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে পুলিশের কাছে করে।
অবশ্য তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে জানিয়ে পঞ্চগড় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু বলেন, কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে সেটা বলা যাবে না।
প্রসঙ্গত, গত সোমবার সকালে কমলাপুর রেল স্টেশনের ময়মনসিংহগামী বলাকা কমিউটার ট্রেনের একটি পরিত্যক্ত বগি থেকে গলায় ওড়না অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে কমলাপুর জিআরপি থানার পুলিশ।
পরিবার জানিয়েছে, বাঁধনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল আসমার। তাদের না জানিয়েই রবিবার বাড়ি ছেড়েছিল আসমা। ধারণা করা হচ্ছে, দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে আসমাকে।
, আসমাকে ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় পঞ্চগড় শহীদ মিনারের সামনে মানববন্ধন করেছে সামাজিক সংগঠন ‘বাঁচাও পঞ্চগড়’।
এতে জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলী, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক এমরান আল আমিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মির্জা নাজমুল ইসলাম কাজল, পঞ্চগড় নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এরশাদ হোসেন সরকার, জেলা পরিষদ সদস্য ও নারী নেত্রী আকতারুন নাহার সাকী, জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবু সালেক, ‘বাঁচাও পঞ্চগড়’ এর ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি সফিকুল আলম, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী একেএম আনোয়ারুল ইসলাম খায়ের, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শহীদুল ইসলাম শহীদ, মামলার বাদী আসমার চাচা মো. রাজু ও স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান সাবু বক্তব্য দেন।
মানববন্ধনে আসমার বাবা-মা ও এলাকার নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
