বিলকিস আক্তার (৪০) নামে এক নার্সের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় সন্দেহভাজনদের নামে এজাহার দিলেও তা আমলে না নিয়ে মাত্র একজন আসামির বিরুদ্ধে মামলা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানা পুলিশের বিরুদ্ধে।
গতকাল রবিবার দুপুরে কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে মামলার বাদী নিহতের ভাই পারভেজ হোসেন এ অভিযোগ করেন। বিলকিস শহরের কাটাইখানা মোড়ের ল্যাবএইড নামক ক্লিনিকের নার্স ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এজাহারে জড়িত সন্দেহে একাধিক ব্যক্তির নাম দেওয়া হলেও সেগুলো বাদ দেন কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস। ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার যোগসূত্র থাকার পরও পুলিশ কেবলমাত্র জসিম নামে একজনকে আসামি করে মামলা নেয় এবং তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। নিহতের মা মর্জিনা খাতুনের অভিযোগ, বিলকিসকে তার কর্মস্থল ল্যাবএইড ক্লিনিকের মালিক ইয়ারুল ইসলাম, তার ভাগ্নে উজ্জ্বল এবং সহকর্মী জসিমসহ একাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন সময় আপত্তিকর প্রস্তাব দিত।
এ বিষয়ে কুমারখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শুভ্র প্রকাশ দাস বলেন, ‘মামলাটি এখনো তদন্তাধীন।
গত ১৬ আগস্ট নিখোঁজের চারদিন পর কুমারখালী উপজেলার কাঞ্চনপুর এলাকার একটি খাল থেকে ওই নার্সের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
