জম্মুতে পাঁচটি জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করে দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে কাশ্মীরে এখনো এই কড়াকড়ি শিথিল হচ্ছে না।
হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, বৃহস্পতিবার জম্মুর দোদা, কিস্তওয়ার, রম্বন, রাজৌরি ও পুঞ্চ জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক চালু করে দেওয়া হয়েছে। একই অঞ্চলের অন্য পাঁচটি জেলায় খুলে দেওয়া হয়েছে মোবাইল ইন্টারনেট সার্ভিস।
৫ আগস্ট ভারতের রাজ্যসভায় সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে বিজেপি সরকার। এর আগের দিন থেকে জম্মু-কাশ্মীরে কঠোর সামরিক নিরাপত্তা জারি করা হয়।
কারফিউ জারি করে ইন্টারনেট সংযোগ এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দিয়ে অঞ্চলটির সঙ্গে পুরো বিশ্বের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।
২৫ দিন পর শুধু জম্মুর আলাদা আলাদা পাঁচটি জেলায় মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং মোবাইল ইন্টারনেট সার্ভিস খুলে দেওয়া হলো।
প্রশাসনের দাবি, রাস্তায় গাড়ি চলাচল বাড়ছে, কর্মস্থলেও মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে।
রাজ্যপাল সত্যপাল সিংহ জানিয়েছেন, কাশ্মীরে ১১১টি পুলিশ স্টেশনের ৮১টি দিনের বেলায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে।
এদিকে কাশ্মীরে যাচ্ছেন সিপিএম সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। বৃহস্পতিবার সকালেই দিল্লি থেকে শ্রীনগর বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
আনন্দবাজার জানায়, বুধবারই কাশ্মীরে গ্রেপ্তার হওয়া সিপিএম নেতা ইউসুফ তারিগামির সঙ্গে দেখা করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সম্মতি পেয়েছেন সীতারাম ইয়েচুরি। তবে এটি রাজনৈতিক কোনো সফর হবে না, তারিগামিকে দেখেই ফিরে আসতে হবে ইয়েচুরিকে।
প্রসঙ্গত, ৫ আগস্টের আগের রাত থেকে গ্রেপ্তার হন সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রীসহ কাশ্মীরের প্রায় ৪০০ নেতা। তাদের মধ্যে আছেন ইউসুফ তারিগামিও। গত ৯ আগস্ট তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে সীতারাম ইয়েচিুরকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তাকে সে বার শ্রীনগর শহরে পা রাখতে দেওয়া হয়নি।
এরপর রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে যে প্রতিনিধি দলটি শ্রীনগরে গিয়েছিল তাতেও ইয়েচুরি ছিলেন। তখনো তিনি তারিগামির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। এর পরেই তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন।
