লিওনেল মেসি ও ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে পেছনে ফেলে ২০১৮-১৯ মৌসুমে উয়েফার বর্ষসেরা পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ভার্জিল ফন ডাইক। লিভারপুরের হয়ে এই নেদারল্যান্ডস ডিফেন্ডার গেল মৌসুম কাটিয়েছেন দুর্দান্ত। শুধু রক্ষণ সামাল দেওয়া নয়, গোল করেও ম্যাচ জিতিয়েছেন দলকে। ইতিহাসে প্রথম ডিফেন্ডার হিসেবে উয়েফার সেরা খেলোয়াড় হলেন ডাইক।
বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের সঙ্গে বর্ষসেরা ডিফেন্ডারের পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন ডাইক। বৃহস্পতিবার মোনাকোয় ঘোষণা করা হয় ইউরোপের সেরা ফুটবলারের নাম। একই অনুষ্ঠানে হয়েছে নতুন মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ড্র।
২০১৮ সালের ৩১ জুলাই থেকে ২০১৯ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত সময়ে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পারফরম্যান্সকে মূল্যায়ন করে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ইউরোপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
সর্বসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার না জিতলেও লিওনেল মেসি বর্ষসেরা ফরোয়ার্ডের পুরস্কার পেয়েছেন। চ্যাম্পিয়নস লিগ ও ইউরোপিয়ান লিগগুলো মিলেও সর্বশেষে মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন মেসি। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো ও সাদিও মানেকে পেছনে ফেলেছেন বার্সার এই আর্জেন্টাইন তারকা। ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ফিরতে হয়েছে খালি হাতে।
সেরা ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষক- দুটি পুরস্কারই গেছে লিভারপুলের ঘরে। সেরা ডিফেন্ডার ডাইক সতীর্থ ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড ও ম্যাথিজস দি লিগটকে পেছনে ফেলেন। সেরা গোলরক্ষক হয়েছেন অ্যালিসন বেকার। তিনি পেছনে ফেলেছেন হুগো লরিস ও আন্দ্রে টের স্টেগেনকে।
সেরা মিডফিল্ডার হয়েছেন আয়াক্সের ফ্রেঙ্কি দে ইয়ং। এই মৌসুমে যিনি নাম লিখিয়েছেন বার্সেলোনায়। তিনি পেছনে ফেলেছেন লিভারপুরের অধিনায়ক জর্ডান হেন্ডারসন ও টটেনহ্যামের ক্রিস্তিয়ান এরিকসনকে।
বর্ষসেরা নারী ফুটবলারের পুরস্কার জিতে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের লুসি ব্রোঞ্জ।
বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে সেরা যারা:
সর্বসেরা পুরুষ খেলোয়াড় : ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল)
সর্বসেরা নারী খেলোয়াড় : লুসি ব্রোঞ্জ (ইংল্যান্ড)
সেরা ফরোয়ার্ড: লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা)
সেরা গোলরক্ষক: অ্যালিসন বেকার (লিভারপুল)
সেরা ডিফেন্ডার: ভার্জিল ফন ডাইক (লিভারপুল)
সেরা মিডফিল্ডার: ফ্রেঙ্কি দে ইয়ং (আয়াক্স, বর্তমান বার্সেলোনা)।
