তল্লাশির সময় নগরীতে পুলিশের ওপর হামলার পর তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে কাদিরগঞ্জ এলাকায় হামলায় পুলিশের এএসআই মাইনুল ইসলাম আহত হন। পরে তিন তরুণকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৬ রাউন্ড গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আটক তিনজন আলাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র।
রাজশাহী মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (সদর) গোলাম রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘বোয়ালিয়া মডেল থানার শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মাইনুল ইসলাম কাদিরগঞ্জ চালপট্টি মোড়ে তল্লাশি করছিলেন। সেখানে ৩ জন আরোহীসহ একটি রিকশা এলে তাদের সন্দেহ হয়। এ সময় তল্লাশিকালে একজনের কোমরে একটি পিস্তল পাওয়া যায়। পিস্তলটি পুলিশ হেফাজতে নিতেই অপর একজন এএসআই মাইনুলকে চাকু দিয়ে আঘাত করেন। বাম হাত দিয়ে আঘাত ঠেকাতে গেলে তার বৃদ্ধাঙ্গুল জখম হয়। পরে ওই তরুণরা পালানোর চেষ্টা করলে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাদের আটক করেন।’
আটকরা হলো, নাটোরের বড়াইগ্রাম থানার হারুয়া এলাকার অভিজিৎ হালদার রিংকু (২২), রাজশাহী নগরীর কয়েরদাঁড়া এলাকার আমির হোসেন (১৬) এবং গোদাগাড়ী উপজেলার মা-ইল এলাকার মোবারক হোসেন (১৭)। এদের মধ্যে রিংকু রাজশাহী কলেজের ডিগ্রি প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। মোবারক টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও আমির নওহাটা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। এডিসি গোলাম রহুল কুদ্দুস জানান, আটকদের মূল উদ্দেশ্য জানতে তদন্ত চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
