জুরাইনে বাসায় ঢুকে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে জখম

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৪১ পিএম

রাজধানীর জুরাইনে বাসায় ঢুকে মা ও মেয়েকে কুপিয়ে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত মোসা. মমতাজ বেগম (৪০) ও তার মেয়ে রুমা আক্তারকে (২০) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন দুজনের অবস্থাই গুরুতর বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। কুপিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয়রা শহীদুল নামে সন্দেহভাজন এক দৃর্বৃত্তকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।

স্বজনরা জানান, জুরাইন মেডিকেল রোড সমাজকল্যাণ অফিসের পাশের সিরাজুল ইসলামের ৫তলা বাড়ির ২য় তলায় ভাড়া থাকেন তারা। গ্রামের বাড়ি শরিয়তপুর সদর উপজেলার শোলপাড়া গ্রামে। রুমার বাবা মো. আ. রব ব্যাপারী পেশায় জুরাইনের মুদি দোকানদার। রুমার সঙ্গে স্বপন নামে এক ব্যক্তির বিয়ে ঠিক হয়েছিল।

সে খবর শুনেই রুমা ও তার মায়ের ওপর হামলা হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

আহত মমতাজ বেগম বলেন, হামলাকারী দু’জনের মধ্যে শহিদুল নামে একজন তাদের মুদি দোকানের কর্মচারী ছিলেন। অন্যজনকে চিনতে পারেননি। তারা রুমে ঢুকেই মেয়েকে কোপাতে থাকে। বাধা দিতে গেলে আমাকেও কুপিয়েছে।

তিনি বলেন, শহিদুলের গ্রামের বাড়ি তাদের এলাকায়। থাকত জুরাইনে। কী কারণে তাদের কুপিয়েছে সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।

রক্তাক্ত মা ও মেয়েকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মো. সজিব হোসেন দেশ রূপান্তরকে বলেন, দ্বিতীয় তলার ওই বাসা থেকে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় দু’জন নারীকে দৌড়ে বাইরে আসতে দেখেন। তিনি তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ওই বাসা থেকে আরো দুই যুবককে দৌড়ে বেরিয়ে যেতে দেখেন তিনি। পরে স্থানীয়রা দৌড়ে একজনকে ধরে ফেলেন।

আহত মমতাজ বেগমের স্বজন জাকির হোসেন বলেন, ঘটনার সময় রুমা ও তার মা' বাসায় ছিলেন। রুমার বাবা দোকানে ছিলেন। হামলাকারী শহিদুল রুমার বাবার দোকানের কর্মচারী ছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে কাজ ছেড়ে অন্যত্র চলে যান।

কদমতলী থানার ওসি জামাল উদ্দিন মীর বলেন, হামলাকারী একজনকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পলাতক ব্যক্তিকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, হামলার কারণ হিসেবে নানা ধরণের তথ্য পাচ্ছি, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই বলা যাচ্ছে না।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত