মাত্র দুই সপ্তাহ আগে বাহামার ওপর দিয়ে বয়ে যায় শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ডোরিয়ান। এখন নতুন ঘূর্ণিঝড়ের মুখে পড়তে যাচ্ছে এই দ্বীপপুঞ্জ।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, উষ্ণমণ্ডলীয় লঘুচাপ নাইন ফুঁসছে সাগরে। দুই দিনের মধ্যে উষ্ণমণ্ডলীয় ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে আঘাত হানতে পারে বাহামায়। ইতিমধ্যে এর প্রভাবে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়া শুরু হয়েছে।
ডোরিয়ানের আঘাতে বাহামার ১৩শ’র মতো মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। এ ছাড়া কমপক্ষে ১৫ হাজার মানুষের আশ্রয়, খাবার ও চিকিৎসা সেবা দরকার।
কর্মকর্তারা জানিয়েছে, নতুন ঝড়ের কারণে তাদের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা ব্যাহত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সামনের দিনগুলোতে দ্বীপটিতে ১০ সেমি বৃষ্টি হতে পারে। এই সময় বাতাসের বেগ হবে ঘণ্টায় ৪৫ কিলোমিটার।
ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ম্যানেজমেন্ট এজেন্সির (নিমা) কার্ল স্মিথ জানান, ডোরিয়ানে নিখোঁজদের সন্ধানে চলমান কার্যক্রমে বাধা দিতে পারে নতুন ঝড়টি। পাশাপাশি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গ্র্যান্ড বাহামা ও গ্রেট অ্যাবাকোয় প্রয়োজনীয় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটাবে।
ডোরিয়ান আঘাত করে ১ সেপ্টেম্বর। এতে কমপক্ষে ৫০ জনের লাশ মিলেছে। এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে।
ঝড়টি এলবো কে এলাকায় ঘণ্টায় ২৯৫ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হানে। যা এ অঞ্চলে হানা দেওয়া সবচেয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। ডোরিয়ানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে ৫ হাজার মানুষকে বাহামার রাজধানী নাসাউয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটিকে ৪০ লাখ ডলার অর্থ সহায়তার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
