মেয়র আতিকুল বললেন

‘সার্ভিস প্যাসেজে’ ময়লা পেলে ভবনমালিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১২:২০ এএম

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসকরণে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৩৬টি ওয়ার্ডে দ্বিতীয় পর্যায়ের ‘বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও চিরুনি অভিযান’ শুরু হয়েছে। গতকাল রবিবার বেলা ১১টায় ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম মিরপুর শেরেবাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ২ নম্বর গেটের সামনে এ অভিযান উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রথম ধাপে পরিচালিত চিরুনি অভিযান থেকে আমাদের অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে। আমরা জানি কোথায় কোথায় এডিস মশার বংশবিস্তার হতে পারে। প্রথম পর্যায়ের চিরুনি অভিযানে কোনো বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলেও তাদের জরিমানা করা হয়নি, সতর্ক করা হয়েছিল। তবে এবার কারও বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি কোনো ‘সার্ভিস প্যাসেজে’ (দুই ভবনের মাঝের জায়গা) ময়লা-আবর্জনা পাওয়া গেলে সেই সার্ভিস প্যাসেজের পাশের ভবনের সব ফ্ল্যাট মালিকের বিরুদ্ধে ময়লা-আবর্জনা ফেলার অপরাধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিএনসিসির কর্মকর্তারা জানান, গত ২৫ আগস্ট থেকে ১০ দিনব্যাপী প্রথম দফা চিরুনি অভিযান অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম দফা অভিযানে ৩৬টি ওয়ার্ডে মোট ১ লাখ ২২ হাজার ২১৯টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে মোট ২ হাজার ১৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা খুঁজে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ৬৭ হাজার ৭৫৮টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার বংশবিস্তার উপযোগী স্থানে জমে থাকা পানি পাওয়া যায়। সেসব স্থান ধ্বংস করে লার্ভিসাইড প্রয়োগ করা হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত