বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়। প্রশাসনের শত বাধা, গ্রেপ্তারসহ নানান প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও ময়মনসিংহে লাখো মানুষের এই সমাবেশ এটাই প্রমাণ করে। তাই সংসদ ভেঙে দিয়ে অবিলম্বে নিরপেক্ষ কমিশনের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিন। ইনশাআল্লাহ জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর কৃঞ্চচূড়া চত্বরে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ভোট ডাকাতি করে, নির্বাচনের আগের রাতেই ভোট লুট করে নিয়ে গেছেন। এটা ক্যাসিনো থেকে বড় অপরাধ। জবাব দিতে হবে। ব্যাংক লুট করেছেন, নির্বাচনের আগে ১০ টাকা করে চাল খাওয়াবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৪০ টাকা দরে চাল খাওয়াচ্ছেন। বিনা পয়সায় সার দেওয়ার কথা বলে প্রত্যারণা করেছেন। কৃষকরা এখন ধানের দাম পান না। ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগের জন্য টাকা পাচ্ছেন না। সব টাকা পাচার হচ্ছে সুইচ ব্যাংকে। কারা দেশের টাকা লুট করছে। দেশের মানুষ জানে। শুধু কি যুবলীগ-ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ লুটপাট করছে। আর আপনারা কি আঙzল চুষেছেন?
তিনি বলেন, সমাবেশের আগে বিএনপি নেতা লিটন আকন্দসহ ময়মনসিংহের প্রতিটি উপজেলা থেকে ১০-১২ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু প্রশাসনের শত বাধা উপেক্ষা করে খালেদা জিয়া মুক্তির সমাবেশে লাখো মানুষ উপস্থিত হয়েছে। দেশের মানুষ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি চায়। বেগম জিয়া শুধু নেত্রী নন, তিনি এ দেশের কোটি কোটি মানুষের প্রাণের স্পন্দন, জনগণের প্রতিনিধি।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ও জেলা উত্তর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আবদুল আউয়াল মিন্টু, খাইরুল কবীর খোকন, ফজলুল হক মিলন, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, শামা ওবায়েদ।
সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন, বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান রতন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান, আবদুল বারী ড্যানী, আবদুল্লাহ ফারুক, কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, ডা. মাহাবুর রহমান লিটন, নূরজাহান ইয়াসমীন, আরিফা ইয়াসমীন, শাহ শহীদ সারোয়ার, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েল, ময়মনসিংহ দড়্গিণ জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর মাহমুদ আলম প্রমুখ।
