আশ্বিনের মাঝামাঝিতে এসেও আষাঢ় মাসের মতো ভারী বৃষ্টিপাত। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা বর্ষণে সিলেটের জনজীবন অনেকটাই অচল হয়ে পড়ে। ভারী বর্ষণে নগরীর অনেক এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। বাসা-বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে পড়ে বৃষ্টির পানি।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা আবু সাঈদ জানান, গতকাল সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সিলেটে ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
নগরীর পাঠানটুলা, আম্বরখানা, চৌহাট্টা, বারুতখানা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টিপাতের সময় এসব এলাকায় মারাত্মক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বাসায় ও দোকানে পানি ঢুকে মূল্যবান জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে। ইঞ্জিনে পানি ঢুকে অচল হয়ে পড়েছে অটোরিকশা, প্রাইভেটকারের মতো হালকা যানবাহন। পাঠানটুলা এলাকার বাসিন্দা জাকির হোসেন চৌধুরী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সিটি করপোরেশন জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না। জলাবদ্ধতা আগের মতোই আছে।’
সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘জলাবদ্ধতা নিরসনে সিটি করপোরেশন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এরই মধ্যে অনেক কাজ হয়েছে। পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে নগরীর খাল-নালা অবৈধ দখলমুক্ত করা হয়েছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে।’ আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘সব কাজ সম্পন্ন হলে আগামী বর্ষায় সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না।’
×
