যুদ্ধের ভারসাম্য বদলে দেবে চীনের ডিএফ-১৭ মিসাইল

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ০১:১৮ পিএম

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ৭০তম বার্ষিকীতে গত সপ্তাহে অত্যাধুনিক অনেক সামরিক অস্ত্রশস্ত্রের মহড়া দিয়েছে চীনের সেনাবাহিনী। এর মধ্যে সবার নজর কেড়েছে দেশটির অত্যাধুনিক হাইপারসনিক মিসাইল ডিএফ-১৭।

তিয়েনআনমেন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত এই প্যারেডের আগে এই ধরনের কোনো অস্ত্র আছে বলে চীন কখনই স্বীকার করেনি। চীনের কাছে এই ধরনের মিসাইল থাকার ব্যাপারটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ডিএফ-১৭ এর কারণে দেশ দুটির মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বদলে দিতে পারে বলে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

কয়েক বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী, পেন্টাগনের কর্মকর্তা ও সামরিক অফিসাররা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন যে, হাইপারসনিক প্রযুক্তিতে চীন স্পষ্টতই অনেকটা এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যাপারটিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

ডিএফ-১৭ মিসাইল যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রতিদ্বন্দ্বী চীন ও রাশিয়াকে সামরিক শক্তির দিক থেকে অনেকটা এগিয়ে নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো মনে করছে, আগামী বছরের আগে চীনের বহরে এই মিসাইল মোতায়েন নাও হতে পারে।

প্যারেড ঘোষকের তথ্যানুযায়ী, প্রচলিত গড়ানার ওয়ারহেড থাকলেও ডিএফ-১৭ খুবই শক্তিশালী একটি মিসাইল। এতে রয়েছে একটি রকেট যা গ্লিডারকে উড়িয়ে নেবে। এটি শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি গতিসম্পন্ন।

ডিএফ-১৭ এর ১১০০ থেকে ১৫৫০ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম বলে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। এই মিসাইল লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁত আঘাত হানতে সক্ষম বলে দাবি চীনেরও।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত