দেশের দুই শীর্ষ প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন ও রবির কাছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার পাওনা প্রায় ১৩ কোটি টাকা। এই পাওনা টাকা আদায়ে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সমঝোতা উদ্যোগ নেন অর্থমন্ত্রী। সমঝোতা আলোচনা সভায় তিন সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোন দৃশ্যমান ফলাফল আসেনি।
শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সমঝোতা আলোচনার আশানুরূপ ফল না পাওয়ায় হতাশা ব্যক্ত করেন বাংলাদেশ মোবাইল গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ।
বিবৃতিতে মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, মাননীয় অর্থমন্ত্রীর সমঝোতার সময় অতিবাহিত হয়েছে কোন অগ্রগতি ছাড়াই। অথচ জিপি ও রবি বিটিআরসির পাঠানো লাইসেন্স বাতিলের নোটিশের জবাবে বলেছে অডিট আপত্তি ভিত্তিহীন। অর্থমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল জিপি ও রবির মামলা প্রত্যাহার করবে এবং বিটিআরসির তাদের নোটিশও প্রত্যাহার করবে। কিন্তু কোন পক্ষই এই নির্দেশনা মান্য করেনি।
তিনি আরও বলেন, বিটিআরসির পাওনাকে ভিত্তিহীন বলে জনগণের টাকায় অডিট নিষ্পত্তির ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। বিটিআরসি যদি প্রমাণ করতে না পারে যে অপারেটরদের বক্তব্য সঠিক নয় তাহলে বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দায়ভার নিয়ে সরে দাঁড়ানো উচিত। দেশের সকল গ্রাহক দ্রুত সময়ের মধ্যে এই পাওনা আদায় ও মীমাংসা চায়, যোগ করেন তিনি।
