চট্টগ্রামে আগুনে পুড়ল দুই মার্কেটের ১৩০ দোকান

আপডেট : ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ১১:৩৮ এএম

চট্টগ্রাম নগরীর কেন্দ্রস্থল কোতোয়ালি থানা এলাকায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে গেছে জালালাবাদ মার্কেট ও পৌর জহুর হকার মার্কেটের ১৩০ দোকান। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

শনিবার ভোরে এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোতে বিভিন্ন ধরনের তৈরি পোশাক, কম্বল, পর্দা ইত্যাদি পণ্য ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শনিবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে চট্টগ্রাম আদালত ভবনের কাছে জালালাবাদ মার্কেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মার্কেটটিতে বিভিন্ন ধরনের তৈরি পোশাকের কয়েকশ দোকান রয়েছে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং দোকানগুলো দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে।

এক পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী জহুর হকার মার্কেটেও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে দমকল বাহিনীর গাড়ি ছুটে যায় ঘটনাস্থলে। ভোর সাড়ে ৬টার দিকে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পুরোপুরি নেভাতে সক্ষম হন দমকল কর্মীরা।

আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেওয়া আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ফরিদ আহমেদ চৌধুরী সকাল সাড়ে ১০টায় দেশ রূপান্তরকে বলেন, ভোর তিনটা পঞ্চাশ মিনিটের সময় ফায়ার স্টেশনে আগুনের খবর পৌঁছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলের কাছে থাকা নন্দনকানন ফায়ার স্টেশনসহ নগরীর বিভিন্ন ইউনিট থেকে ১৫টি গাড়ি সেখানে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয়। ভোর সাড়ে ৬টায় আগুন মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আসে, সকাল সাড়ে ৯টায় সম্পূর্ণভাবে আগুন নেভানো হয়।

তিনি জানান, প্রথমে জালালাবাদ মার্কেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সবগুলো কাপড়ের দোকান হবার কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের কারণ সম্পর্কে তদন্ত ছাড়া কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি।

আগুনে কত ক্ষতি হয়েছে নিরূপণের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মহসিন দেশ রূপান্তরকে বলেন, জালালাবাদ মার্কেট থেকে লাগা আগুন পরবর্তীতে পাশের জহুর মার্কেটে ছড়িয়ে  পড়ে। এতে উভয় মার্কেটে অন্তত ১৩০টি দোকান পুড়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া দোকানগুলোর মধ্যে, কম্বল, টি শার্ট, গেঞ্জি, শার্ট, প্যান্ট, বাচ্চাদের কাপড়, টেইলার্স ইত্যাদি রয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরপরই কোতোয়ালি থানা পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে মার্কেটগুলোর প্রবেশ মুখে অবস্থান নেয়। যাতে অগ্নিকাণ্ডের সুযোগে অবাঞ্ছিত কোনো লোক সেখানে ঢুকে যেতে না পারে এবং আগুন নেভানোর কাজে কোনো ধরনের সমস্যা সৃষ্টি না হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত