আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে পোশাক কারখানা সংস্কার না করায় ক্রেতাদের কাছ থেকে কাক্সিক্ষত মূল্য পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ডেইলি স্টার সেন্টারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) আয়োজিত ‘শিল্প সম্পর্ক উন্নয়ন’ বিষয়ক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম খান ও এসএম আনোয়ারুল কায়েস। তারা বলেন, আইন অনুযায়ী শ্রমিকের ন্যায্যতা প্রদানে মালিকপক্ষের মধ্যে গড়িমসি রয়েছে। তাদের ভুল বোঝাবুঝিতে বিরোধ নিষ্পত্তি হয় না। এতে শিল্প-উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়।
শ্রমিক প্রতিনিধিরা জানান, পোশাক কারখানায় শ্রমিক নির্যাতন বহু পুরনো, মজুরি কম। মালিকপক্ষ ফন্দি করে ৪-৫ মাস বেতন আটকে রাখেন। এরপর হঠাৎ কারখানা বন্ধ করে দেন। শ্রম আইন মেনে নিয়োগপত্রও দেওয়া হয় না।
