বিবিএসের হালনাগাদ প্রতিবেদন

চড়া বাজারেও কমেছে মূল্যস্ফীতি

আপডেট : ০৫ নভেম্বর ২০১৯, ০১:১৮ এএম

দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৭ শতাংশে। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে পেঁয়াজের দাম বাড়লেও মূল্যস্ফীতি আগের মাসের চেয়ে কমেছে। সেপ্টেম্বরে এর পরিমাণ ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।  আজ মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য উপস্থাপন করবেন বলে বিবিএস জানায়।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিবিএসের ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং উইংয়ের এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, মূল্যস্ফীতির হার নির্ণয়ে শতাধিক পণ্যের বাস্কেটে চালের ওয়েট (অবদান) বেশি। বিভিন্ন ধরনের চালের দাম হিসাবে আনা হয়। এজন্য পেঁয়াজ, কাঁচাবাজারসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়লেও খুব বেশি প্রভাব পড়ে না। বাজারে যেহেতু চালের দাম স্থিতিশীল রয়েছে, এজন্য মূল্যস্ফীতিও ওইভাবে বাড়েনি। তবে সার্বিক তথ্য এখন দেওয়া সম্ভব নয়, পরিকল্পনামন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে আজ তা জানাবেন বলে তিনি জানান।

বিবিএস জানায়, সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ, যা আগস্টে ছিল ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির এই চাপ খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে বেড়েছিল। এর মধ্যে খাদ্যে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৫ দশমিক ৩০ শতাংশে, যা আগস্টে ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ২৭ শতাংশ। একই সঙ্গে ওই মাসে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছিল ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ, আগস্ট মাসে ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।

বিবিএস এর কারণ হিসেবে জানায়, সেপ্টেম্বরে বাজারে পেঁয়াজ, তেল, মাছ ও মাংসের দাম বেড়েছিল। এছাড়া চিকিৎসা, শিক্ষা ও সেবাসহ অন্যান্য উপকরণেও ব্যয় বেড়েছিল মানুষের। গ্রাম-শহর সব জায়গায়ই একই অবস্থা ছিল। এজন্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছিল। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত