সরকারি বিভিন্ন হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের চার প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের স্ত্রীদের অবৈধ সম্পদের তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার কমিশনের প্রধান কার্যালয় থেকে পৃথক পৃথক সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের স্বাক্ষর করা পৃথক নোটিস তাদের বর্তমান ঠিকানায় পাঠিয়ে ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলা হয়েছে।
যাদের নামে সম্পদ বিবরণী নোটিস দেওয়া হয়েছে তারা হলেন-খুলনা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ও তার মিসেস শামীমা নার্গিস, চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার উচ্চমান সহকারী রেজাউল ইসলাম ও তার স্ত্রী মিসেস রুনা খানম, কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান ও তার স্ত্রী মিসেস রওনক জাহান শাহীন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের হিসাবরক্ষক মো. মজিবুর রহমান ও তার স্ত্রী ফরিদা আক্তার, চিকিৎসা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন শাখার প্রধান সহকারী মো. খায়রুল আলম ও তার স্ত্রী দিলারা আলম সুমি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন-২) মো. কবির আহমেদ চৌধুরী ও তার স্ত্রী রুবিনা শিরিন, জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মুন্সী সাজ্জাদ হোসেন ও তার স্ত্রী ফারজানা হোসাইন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী প্রধান (মহাপরিচালক দপ্তর) মো. জোবায়ের হোসেন ও তার স্ত্রী শাহানা সুলতানা এবং সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান সহকারী এম কে আশেক নওয়াজ ও তার স্ত্রী মোছা. নিলুফা ইয়াসমিন।
নোটিসে বলা হয়, প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক অনুসন্ধান করে কমিশনের স্থির বিশ্বাস জন্মেছে যে, তারা জ্ঞাত আয় বহিভূ©ত স্বনামে/বেনামে বিপুল পরিমাণ সম্পদ সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন কাজ ও হাসপাতালে অনিয়মের বিষয়ে দুদকের উপপরিচালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে বিশেষ টিম কাজ করছে।
