সুমির স্বামী নূরুল ইসলাম বলেন, সুমি দেশে ফেরায় খুব ভা্লো লাগছে, তেমনি কষ্টও লাগছে। ভাগ্য বদলের আশায় সৌদি গিয়েছিল সুমি, এখন খালি হাতে নির্যাতিত হয়ে ফিরছে।
এর আগে সৌদি আরবে নির্যাতনের শিকার সুমি আক্তারকে স্থানীয় পুলিশের সহায়তায় উদ্ধার করেছে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
প্রসঙ্গত, কয়েক দিন আগে সৌদিতে নির্যাতনের শিকার সুমি আক্তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও কলে সাহায্য চেয়ে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। সুমি ভিডিও কলে বলেন- ‘ওরা আমারে মাইরা ফালাইবো, আমারে দেশে ফিরাইয়া নিয়া যান। আমি আমার সন্তান ও পরিবারের কাছে ফিরতে চাই। আমাকে আমার পরিবারের কাছে নিয়ে যান। এখানে আমার ওপর অনেক নির্যাতন করা হচ্ছে। আর কিছুদিন থাকলে হয়তো মরেই যাবো। তাই প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে অনুরোধ আপনারা আমাকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যান’।
সুমির ভিডিও কলটি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার পর তার স্বামী নুরুল ইসলাম রাজধানীর পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।
চলিত বছরের জানুয়ারিতে গৃহকর্মীর ট্রেনিং শেষ করেন সুমি। পরবর্তীতে দালালদের প্রলোভনে ও বিদেশে গিয়ে ভালো টাকা আয়ের আশ্বাসে গত ৩০ মে ‘রূপসী বাংলা ওভারসিজ’ নামে একটি এজেন্সির মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের সৌদি আরবে পাড়ি জমান গৃহবধূ সুমি আক্তার। কিন্তু দালালরা বিদেশে পাঠানোর কথা বলে যে তাকে বিক্রি করে দিয়েছে সে কথা জানতেন না সুমি। সৌদি যাওয়ার সপ্তাহ খানেক পর তিনি ঘটনাটি বুঝতে পারেন।
