ভারতের নির্বাচনী ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করা কঠিন। আজ বিরোধীরা ভালো করেছে তো কাল ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ক্ষমতাসীন দল। রাজনীতির গুটি চালে যে ভালো করছে, তার দিকে ঝুঁকে পড়ছে জনমত।
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভার উপনির্বাচনের পর কর্ণাটকের ১৫টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি-বিজেপি ধরাশায়ী হলেও ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে কর্ণাটকে।
এনডিটিভি ও আনন্দবাজার জানায়, সোমবার সকাল ৮টায় ভোট গণনা শুরুর পর এখন পর্যন্ত ১২টি আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। দুটি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস এবং একটি আসনে এগিয়ে নির্দলীয় প্রার্থী।
এই উপনির্বাচনে পরীক্ষার মুখে ছিল ইয়েদুরাপ্পা সরকার। এর ওপরেই নির্ভর করছিল রাজ্যে বিজেপি সরকারের ভবিষ্যৎ। কারণ, বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে ওই ১৫টি আসনের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পার দল বিজেপিকে অন্তত সাতটি আসনে জিততেই হতো।
গত জুলাইতে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকারের ১৭ জন বিধায়কের সদস্য একসঙ্গে ইস্তফা দিলে তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়। ফলে পতন হয় এইচডি কুমারস্বামী সরকারের। ক্ষমতায় আসে বিজেপির ইয়েদুরাপ্পা সরকার।
ওই ১৭টি আসনের মধ্যে ১৫টিতে গত ৫ ডিসেম্বর উপনির্বাচন হয়। বাকি দুটি আসনে ভোট হয়নি। নির্বাচনে কংগ্রেস ও জেডিএস জোটের দলছুট বিধায়কদের প্রার্থী করে বিজেপি। কংগ্রেস তার ১২টি আসনের মধ্যে নয়টি হারাতে বসেছে।
কর্ণাটক বিধানসভায় ২২৪টি আসনে এই মুহূর্তে বিজেপি সরকারের ১০৫টি বিধায়কসহ একজন নির্দলীয় বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। অন্যদিকে কংগ্রেস এবং জেডিএস জোটের রয়েছে যথাক্রমে ৬৬ ও ৩৪ জনের সমর্থন।
ইতোমধ্যে নির্বাচনে পরাজয় মেনে নিয়ে কংগ্রেস নেতা ডি কে শিবকুমার বলেছেন, ‘আমরা পরাজয় মেনে নিয়েছে। জনগণ দলছুটদেরই গ্রহণ করেছে।’
