স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেলেন তিন তরুণ

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ০১:২০ পিএম

‘বৈষম্যের শেকল ভেঙে, সম্মান নিয়ে বাঁচি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) আয়োজিত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করে পুরস্কার অর্জন করেছেন তিন তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতা।

গত ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবসের সন্ধ্যায় রাজধানীর ছায়ানট মিলনায়তনে এক জমকালো আয়োজনের মধ্যে দিয়ে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন সৈয়দ আবু রায়হান। তার স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের নাম ‘তন্বী’। ‘সংজ্ঞা’ স্বল্পদৈর্ঘ্য  চলচ্চিত্র নির্মাণ করে ২য় স্থান অধিকার করেছেন  মুর্শিদুল আলম ভূঁইয়া এবং ‘সন্তান’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করে ৩য় স্থান অধিকার করেছেন সোহেল আরিয়ান।  বিজয়ীদের যাথাক্রমে ৫০ হাজার, ৩০ হাজার ও ২০ হাজার টাকা সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ.এফ.এম আব্দুর রহমান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ও জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হেইকে এলেফসান, সংগীতশিল্পী ওয়াহিদা ফারজানা সায়ান, অধ্যাপক ড. গীতি আরা নাসরিন এবং ব্লাস্টের অবৈতনিক নির্বাহী পরিচালক সারা হোসেন।

আমাদের সমাজে বিভিন্ন ধরনের বৈষম্য ও সহিংসতা বিদ্যমান। আমাদের দেশের বেশির ভাগ জনগোষ্ঠীই এসব সামাজিক বৈষম্য ও সহিংসতার বিষয়গুলোতে উদাসীন। এ জন্য সর্বসাধারণের মাঝে বৈষম্য ও সহিংসতা সম্পর্কিত বিষয়গুলোকে স্পষ্ট করে তুলে ধরে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে চলচ্চিত্র একটি শক্তিশালী গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। চলচ্চিত্র মাধ্যমের গুরুত্ব উপলব্ধি করে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), দেশব্যাপী ১৮ থেকে ২৫ বছর বয়সী তরুণ-তরুণীদের জন্য মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার বিষয়ক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। চলচ্চিত্রগুলোর ব্যাপ্তিকাল ছিল সর্বোচ্চ ৫ মিনিট।

উল্লেখ্য, শতাধিক চলচ্চিত্র থেকে সেরা তিন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে পুরস্কৃত করা ছাড়াও আরও সাতজন তরুণ নির্মাতাকে সেরা চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সনদ প্রদান করা হয়। প্রায় এক মাস ব্যপ্তিকালের এই প্রতিযোগিতার সম্পূর্ণ বিচার প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা জাহিদুর রহিম অঞ্জন, ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটির মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক জাকির হোসেন রাজু, সংগীতশিল্পী ওয়াহিদা ফারজানা শায়ান এবং নিজেরা করি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ক খুশি কবির।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত