সাবেক উয়েফা প্রেসিডেন্ট মিশেল প্লাতিনির বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে ফিফার একটি প্রকল্পে কাজ করার পারিশ্রমিকের নামে অবৈধভাবে ২ মিলিয়ন ডলার নেওয়ার। ২০১১ সালে সাবেক ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্লাটারের কাছ থেকে ২ মিলিয়ন ডলার পেয়েছিলেন প্লাতিনি। যার কোনো আইনি কাগজপত্র নেই। সে সময় ফিফা বলেছিল এটি তার কাজের পারিশ্রমিক। সেই অর্থ ফেরত আনার জন্য কিছুদিনের মধ্যে প্লাতিনির বিরদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ফিফা।
এ ব্যাপারে প্লাতিনি কোনো কথা না বললেও তার আইনজীবী ভিনসেন্ট সোলারির দাবিÑ ফিফা এমনটি করলে তা তাকে (প্লাতিনি) হেনস্তা করার উদ্দেশ্যে করা হবে। ২০১৫ সাল থেকে ফিফার সব ধরনের কার্যক্রম থেকে আট বছর নিষিদ্ধ হন সেপ ব্লাটার ও মিশেল প্লাতিনি। পরে ব্লাটারের শাস্তি কমে ছয় বছর এবং প্লাতিনির শাস্তিকমে চার বছর হয়। ফিফার আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে ব্লাটার বলেন, ‘এ বিষয়ে আগেই সব নিষ্পত্তি হয়েছে এবং জরিমানাও দেওয়া শেষ।’ নিষিদ্ধের পাশাপাশি ফিফা প্রধান ব্লাটারকে ৫০ হাজার সুইস ফ্রাঁ ও প্লাতিনিকে ৮০ হাজার সুইস ফ্রাঁ জরিমানাও করা হয়েছিল।
সোলারি বলেন, ‘এটা স্পষ্ট যে ফিফার দাবিগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এও প্রমাণিত হয়েছে যে, ফিফা দ্বারা এই অর্থ প্রদান সংক্রান্ত চুক্তিটি কখনই অবৈধ হয়নি।’ ফিফা এই টাকা ফেরত নেওয়ার জন্য আইনি পদক্ষেপ নিলে সেটা হবে হয়রানিমূলক। প্লাতিনির আইনজীবী আরও বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না ফিফা কীভাবে আইনি পদক্ষেপ নেবে, এটা ছিল কাজের বেতন।’ সোলারির দাবি, প্লাতিনিকে এই টাকা দেওয়ার সময় ফিফার সব অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত বিষয় মেনেই হয়েছিল। ইন্টারনেট।
